প্রকাশ: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩০ পিএম (ভিজিট : ৬১)

X
মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের পেসার জাহানারা আলমের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিটি নারী দলের সাবেক নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামকে আজীবন নিষিদ্ধ করেছে। কোন প্রক্রিয়াতে এমন শাস্তি দেওয়া হয়েছে এমন প্রশ্নে স্বাধীন তদন্ত কমিটির সদস্য ও বিসিবির পরিচালক রুবাবা দৌলা বিষয়টির ব্যাখা করেন।
গত রোববার অনুষ্ঠিত এক ভার্চ্যুয়াল সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে-পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের ক্রিকেটের কোনো কর্মকাণ্ডে মঞ্জুরুল ইসলামকে সম্পৃক্ত করা হবে না। এ ব্যাপারে রুবাবা বলেন, ‘জাহানারা যে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছিলেন, সেটির ভিত্তিতেই বিস্তারিত তদন্ত পরিচালনা করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী যৌন হয়রানি বা সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্টের সংজ্ঞা বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত করা হয়। সেখানে প্রাথমিক প্রমাণ মেলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ক্রিকেট থেকে বহিষ্কার বা নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
করপোরেট জগতের অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে রুবাবা দৌলা আরও বলেন, ‘করপোরেট সেক্টরেও এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে কঠোর নীতিমালা ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। বিসিবিও একইভাবে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী জাহানারা এক সাক্ষাৎকারে মঞ্জুরুলের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ আনেন। বিষয়টি সামনে আসার পর তদন্ত শুরু করে বিসিবি। এ জন্য একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। জাহানারা ওই কমিটির কাছেও লিখিত অভিযোগ জমা দেন।
গত ৪ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, তদন্তে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে কিছু প্রমাণ পাওয়া গেছে। জাহানারার উত্থাপিত চারটি নির্দিষ্ট অভিযোগের মধ্যে দুটি অভিযোগের পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ মেলেনি। তবে বাকি দুটি ঘটনায় অসদাচরণের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়।