প্রকাশ: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:০৫ পিএম (ভিজিট : ১০৪)

X
গ্রেপ্তার প্রধান আসামি নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরা
নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত নূরাকে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে নরসিংদী গোয়েন্দা পুলিশ।
গ্রেপ্তারের সময়কার একটি ভিডিওতে নূরাকে বলতে শোনা যায়, দিনাজপুর সীমান্ত দিয়ে সে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলো। ঘটনার পর, প্রথমে পাঁচদোনা পরে গাজীপুরে আত্মগোপনে ছিলো নূরা।
একই সময়ে অপর আসামী হযরত আলীকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই নিয়ে গত দুইদিনে কিশোরীর মায়ের দায়ের করা মামলায় মোট ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে তরুণীর মা ফাহিমা বেগম বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে মাধবদী থানায় মামলা দায়ের করেন।
আজ বেলা ১১টার দিকে নরসিংদীর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেন নরসিংদীর পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-ফারুক।
নূরাসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, ঘটনাটির পরপরই পুলিশ বিশেষ গুরুত্বের সাথে দেখছে। ইতিমধ্যেই এজাহারে উল্লেখ করা ধর্ষণের সাথে জড়িত ৪জন এবং বিচারকার্যে সহায়তাকারী ৩জন সহ ৭ আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। বাকি দুই পলাতক আসামিকেও দ্রুতই আইনের আওতায় আনা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এই ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের মাস্টার-মাইন্ড নূর মোহাম্মদ নূরা স্বীকার করেছে। সে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পালানোর পরিকল্পনাও করেছিলো বলে গ্রেপ্তারের সময় জানিয়েছে।
গতকাল গ্রেপ্তারকৃত ৫ আসামিকে আদালতে তুলে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। আদালত আগামী রোববার (১ মার্চ) রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করেন। আজ দুপুরে সর্বশেষ গ্রেপ্তার হওয়া প্রধান আসামী নূরা ও হযরত আলীকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। সেখানে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
এর আগে, গত বুধবার রাতে কিশোরী আমিনার বাবার কাছ থেকে নূরার নেতৃত্বে একটি চক্র তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরদিন সকালে মাধবদী থানার কোতালিরচর দড়িকান্দি এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।