প্রকাশ: রোববার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৯ এএম (ভিজিট : ৩৫৬)

X
সংগৃহীত ছবি
বহু জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে নিশ্চিত করা হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সারাদিন মৃত্যুর খবর অস্বীকার করার পর অবশেষে ইরান সরকার বিষয়টি স্বীকার করে। তার মৃত্যুতে দেশজুড়ে ৪০ দিনের গণশোক এবং সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
এদিকে খামেনির মৃত্যুর পরও ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান শেষ হয়নি বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (১ মার্চ) মধ্যরাতে নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে বক্তব্য দেন।
পোস্টে ট্রাম্প লিখেন, “ইতিহাসের অন্যতম নিষ্ঠুর ব্যক্তি খামেনি নিহত।” তিনি দাবি করেন, খামেনি ও তার সহযোগীরা যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত গোয়েন্দা ও ট্র্যাকিং ব্যবস্থার হাত থেকে রক্ষা পেতে পারেননি। ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথ অভিযানে তাকে টার্গেট করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানের জনগণের জন্য এটি দেশ পুনর্গঠনের বড় সুযোগ। ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড, সেনাবাহিনী ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বার্তা দিয়ে বলেন, তারা চাইলে এখনই ক্ষমা বা নিরাপত্তা পেতে পারে; দেরি করলে কঠোর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।
হামলা কতদিন চলবে এ প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প জানান, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের “নিখুঁত ও ভারী বিমান হামলা” পুরো সপ্তাহজুড়ে অথবা প্রয়োজন অনুযায়ী অব্যাহত থাকবে।
এদিকে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার সকালে খামেনির প্রাসাদ লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ হামলা চালায়। ওই হামলাতেই তিনি নিহত হন। পরবর্তীতে প্রাসাদ প্রাঙ্গণ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্যাটেলাইটে প্রকাশিত ছবিতে প্রাসাদটি সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বলে দেখা যায়।