
সিএমপি সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া ৬৫ জনের মধ্যে ছিনতাইকারী রয়েছেন ৪১ জন। এছাড়া কিশোর গ্যাংয়ের ১২ সদস্য, ৫ জন মাদক ব্যবসায়ী, ৫ জন চাঁদাবাজ এবং ২ জন জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও মাদক। এর মধ্যে রয়েছে একটি দেশীয় এলজি, তিনটি ছোরা, শর্টগানের ১২টি কার্তুজ, পিস্তলের ১০ রাউন্ড গুলি, দুটি ছুরি, তিনটি দা ও একটি চাপাতি। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় পরিত্যক্ত ও তল্লাশি চালিয়ে সর্বমোট ৪৬৯ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
থানাভিত্তিক গ্রেপ্তারের তথ্যে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ১৩ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন কোতোয়ালি থানা এলাকায়। এছাড়া বায়েজিদ ও পতেঙ্গা থেকে ৮ জন করে, চান্দগাঁওয়ে ৬ জন, ডবলমুরিংয়ে ৫ জন, চকবাজার ও ইপিজেডে ৪ জন করে এবং সদরঘাট, বাকলিয়া ও পাঁচলাইশ থানা এলাকায় ৩ জন করে গ্রেপ্তার হয়েছেন। অন্যদিকে খুলশী, আকবরশাহ ও কর্ণফুলীতে ২ জন এবং পাহাড়তলী ও বন্দরে ১ জন করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযান প্রসঙ্গে সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী জানান, নগরের সব এলাকায় একযোগে অভিযান চালানোর মূল উদ্দেশ্য ছিল যাতে কোনো এক এলাকার অপরাধীরা অন্য এলাকায় পালিয়ে যেতে না পারে। ওসি থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ সকল কর্মকর্তা এই অভিযানে সরাসরি অংশ নিয়েছেন। সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি শিল্পগোষ্ঠীর চেয়ারম্যানের বাসভবন লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনার পর নগরবাসীর মধ্যে যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছিল, তা দূর করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।