রোজায় লো ব্লাড প্রেশারের রোগীদের যে সতর্কতা জরুরি

বুলেটিন ডেস্ক

স্বাস্থ্য

রোজা কেবল ধর্মীয় অনুশাসন নয়, আত্মসংযম ও শারীরিক শুদ্ধতারও একটি অনন্য অভ্যাস। রোজায়যাদের লো ব্লাড প্রেশার কিংবা নিম্ন

2026-03-04T17:38:11+00:00
2026-03-04T17:38:11+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
রোজায় লো ব্লাড প্রেশারের রোগীদের যে সতর্কতা জরুরি
বুলেটিন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৮ পিএম   (ভিজিট : ৭৪)
ফাইল ছবি
X

ফাইল ছবি

রোজা কেবল ধর্মীয় অনুশাসন নয়, আত্মসংযম ও শারীরিক শুদ্ধতারও একটি অনন্য অভ্যাস। রোজায় যাদের লো ব্লাড প্রেশার কিংবা নিম্ন রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য রোজা রাখা একটু কঠিন কারন তাদের দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং বটে। তবু সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান এবং জীবনযাপনের কিছু নিয়ম মেনে চললে নিরাপদভাবে রোজা রাখা সম্ভব। কারণ রোজা কেবল ধর্মীয় অনুশাসন নয়, আত্মসংযম ও শারীরিক শুদ্ধতারও একটি অনন্য অভ্যাস। 

আর লো প্রেশার রোগীদের জন্য ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান অত্যন্ত জরুরি। ডাবের পানি, লেবুর শরবত বা ওরাল স্যালাইন জাতীয় পানীয় শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এতে মাথা ঘোরা ও দুর্বলতা কমে যায়। লো ব্লাড প্রেশারের ব্যক্তির জন্য রোজা একটু সাবধানে রাখা উচিত। হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়া কিংবা দীর্ঘ সময় রোদে থাকা এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ ঝুঁকি থাকে। তাই পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া, ধীরে ধীরে কাজ করা এবং ভারি ব্যায়াম থেকে বিরত থাকা লো প্রেশার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। প্রয়োজনে দুপুরে অল্প সময় ঘুম শরীরকে সতেজ রাখে।

এর মধ্যে যদি মাথা ঘোরা, অজ্ঞান ভাব, তীব্র দুর্বলতা কিংবা বুক ধড়ফড়ের মতো কোনো উপসর্গ দেখা দেয়, তাহলে দেরি না করে রোজা ভেঙে পানি বা খাবার গ্রহণ করা উচিত। কারণ রোজার সময় দীর্ঘক্ষণ পানি ও খাবার না নেওয়ার কারণে শরীরে পানিশূন্যতা ও লবণের ঘাটতি তৈরি হলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। স্বাস্থ্যই সর্বাগ্রে এ বিষয়টি মনে রাখা জরুরি। তবে যাদের দীর্ঘদিন ধরে লো প্রেশারের সমস্যা রয়েছে বা নিয়মিত ওষুধ খেতে হয়, তাদের রোজা শুরুর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এতে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য অবস্থার ভিত্তিতে নিরাপদ সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।

লো প্রেশার থাকলেও সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পানি ও বিশ্রাম বজায় রাখলে নিরাপদে রোজা রাখা সম্ভব। মূল বিষয় হলো শরীরের সংকেত বুঝে চলা এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া। লো প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাতের সেহরি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন খাবার বেছে নেওয়া উচিত, যা দীর্ঘ সময় শক্তি জোগাবে এবং শরীরে পানি ধরে রাখতে সাহায্য করবে। ভাত কিংবা রুটি, ডাল, ডিম, দই, সবজি ও ফল সেহরির জন্য ভালো। সঙ্গে পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি। আর লবণযুক্ত খাবার সামান্য পরিমাণে রাখা যেতে পারে। কারণ সোডিয়াম শরীরে তরল ধরে রাখতে সহায়তা করে। তবে অতিরিক্ত লবণ এড়িয়ে চলাই ভালো।

অন্যদিকে ইফতারে ভারসাম্য বজায় রাখতে খেজুর ও পানি দিয়ে রোজা খোলা উচিত। একটু হালকা স্যুপ, ফল কিংবা শরবত খাওয়া যেতে পারে। এরপর ধীরে ধীরে মূল খাবার গ্রহণ করলে হঠাৎ রক্তচাপ ওঠানামার ঝুঁকি কমে যায়। ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার না খাওয়াই ভালো।  কারণ এগুলো দ্রুত দুর্বলতা বাড়াতে পারে।






Loading...
Loading...


স্বাস্থ্য এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy