প্রকাশ: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ১২:২৮ পিএম (ভিজিট : ৯৯)

X
সংগৃহীত ছবি
রমজানের মাঝামাঝিতে এসে রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে ব্রয়লার মুরগির কেজি আবারও ২০০ টাকা ছুঁয়েছে। মুরগির পাশাপাশি চিনি, পোলাওয়ের চাল ও মসলার দাম বাড়লেও কিছুটা কমেছে ইফতারি পণ্যের দাম।
বৃহস্পতিবার মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, টাউন হল ও কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি ব্রয়লার ১৯০–২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৬০–১৭০ টাকা। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩৩০ টাকায়। বিক্রেতাদের দাবি, সরবরাহ সংকট ও বাড়তি চাহিদাই এই মূল্যবৃদ্ধির কারণ। তবে ডিমের দাম স্থিতিশীল রয়েছে (ডজন ১০০-১১০ টাকা)।
চিনির বাজারেও অস্থিরতা দেখা গেছে। প্রতি কেজি খোলা চিনি ১০০ ও মোড়কজাত চিনি ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া চিনিগুঁড়া চালের দাম ব্র্যান্ডভেদে ১৪০ থেকে ১৮৫ টাকা পর্যন্ত উঠেছে, যা মাসখানেক আগের তুলনায় ৫০-৬০ টাকা বেশি। আসন্ন ঈদ সামনে রেখে জিরা, কিশমিশ ও বাদামসহ বিভিন্ন মসলার দামও চড়া। বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে বলে জানান বিক্রেতারা।
তবে সবজি বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। রোজার শুরুতে চড়া দামে বিক্রি হওয়া লেবু এখন হালিপ্রতি ৪০–৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। শসা, বেগুন ও কাঁচা মরিচের দাম কেজিতে প্রায় ২০ টাকা কমেছে। এছাড়া ১০-১৫ টাকা কমে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪৫ টাকায়। মাছ-মাংসের পর মুরগির দামও নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।