ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম

খেলাধুলা

টি২০ বিশ্বকাপের শেষ লড়াই বাকি।কাল রোববার দশম আসরের ফাইনালে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক ভারত ও নিউজিল্যান্ড। ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র

2026-03-07T19:42:53+00:00
2026-03-07T19:49:40+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
টি২০ বিশ্বকাপের কাল ফাইনাল
ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম
প্রকাশ: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৭:৪২ পিএম  আপডেট: ০৭.০৩.২০২৬ ৭:৪৯ পিএম  (ভিজিট : ২০৯)
ভারতের অধিনায়ক সুর্যকুমার যাদব ও নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার (ডানে)। ইন্টারনেট
X

ভারতের অধিনায়ক সুর্যকুমার যাদব ও নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার (ডানে)। ইন্টারনেট

টি২০ বিশ্বকাপের শেষ লড়াই বাকি। কাল রোববার দশম আসরের ফাইনালে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক ভারত ও নিউজিল্যান্ড। ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে শিরোপা নির্ধারনী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়। আর এই ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রকার করবে টি স্পোর্টস। 

টি২০ বিশ্বকাপের দশম আসরের ব্লকবাস্টার ফাইনালে কাল রোববার মুখোমুখি হচ্ছে স্বাগতিক ভারত ও নিউজিল্যান্ড। তৃতীয়বার শিরোপা জিতে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে চায় টিম ইন্ডিয়া। এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে সর্বোচ্চ দু’বার করে শিরোপা জিতেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত। অন্যদিকে দ্বিতীয়বার ফাইনাল খেলতে নামা নিউজিল্যান্ডের লক্ষ্য- প্রথমবার টি২০ বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তোলা।

টি২০তে মুখোমুখি লড়াইয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের জয়ের পাল্লাই ভারী। ৩০বারের দেখায় ভারত ১৬টিতে জিতেছে। নিউজিল্যান্ডের জয় ১১টিতে। ৩টি ম্যাচ টাই হয়। টাই হওয়া ম্যাচের মধ্যে ২টিতে সুপার ওভারে জয় পায় ভারত। অন্যটি বৃষ্টি আইনে রান সমান হওয়ায় টাই হয়। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে নিউজিল্যান্ডকে কখনও হারাতে পারেনি ভারত। তিন ম্যাচের  সবগুলোই জয় পায় নিউজিল্যান্ড। তাইতো শিরোপা নির্ধারনী ম্যাচে ভারত থেকে কিউইদেরই এগিয়ে রাখছে ক্রিকেট-সংশ্লিষ্টরা। 

যদিও ঘরের মাঠে টি২০ বিশ্বকাপের শিরোপা খরা কাটাতে কোনো খামতি রাখতে চাইছে না ভারত। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মেগা ফাইনালের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে একটি বিশেষ ‘মিশ্র মাটির’ পিচ। যেখানে লাল মাটির প্রাধান্য বেশি থাকবে বলে জানা গেছে।

এক সূত্রে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি দাবি করেছে, টুর্নামেন্টের লিগ পর্বের কিছু পিচ নিয়ে কোচ গৌতম গম্ভীরের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট সন্তুষ্ট ছিল না। এমনকি পিচ কিউরেটরদের সঙ্গে টিম স্টাফরা সরাসরি কথা বলে তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। 

মূলত গত ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এবং চলতি বিশ্বকাপের সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে কালো মাটির মন্থর পিচে ভারত বড় ধাক্কা খেয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এবার ফাইনালের জন্য ভিন্ন কৌশলে হাঁটছে ম্যানেজমেন্ট। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফাইনালের উইকেটে লাল ও কালো মাটির মিশ্রণ থাকলেও লাল মাটির ভাগ বেশি থাকবে।

এর ফলে পিচে ভালো বাউন্স থাকবে এবং বল ব্যাটে আসবে সমানভাবে। কালো মাটির পিচ সাধারণত সময়ের সাথে মন্থর হয়ে যায়, যা ভারতের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শৈলীর জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। কিন্তু লাল মাটির পিচে সূর্যকুমার যাদবদের ‘হাই-রিস্ক, হাই-রিওয়ার্ড’ ঘরানার ব্যাটিং এবং সঞ্জু স্যামসনদের কাউন্টার-অ্যাটাকিং ব্যাটিংয়ের জন্য সহায়ক হবে।

আহমেদাবাদের এই উইকেটে সেমিফাইনালের মতো বড় স্কোরের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। আর এই মাঠেই চলতি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা ২১৩ রান তুলেছিল। কিউরেটরদের মতে, ফাইনালে ‘পার স্কোর’ হতে পারে ২০০-এর কাছাকাছি। ভারতের ওপেনিং জুটি এবং ফর্মের তুঙ্গে থাকা সঞ্জু স্যামসনের (সেমিফাইনালে ৮৯ রান) ওপর ভরসা করে ভারত একটি ব্যাটিং স্বর্গ উইকেটই প্রত্যাশা করছে।

তবে পিচে বাউন্স থাকায় নিউজিল্যান্ডের পেসাররাও কিছুটা বাড়তি সুবিধা পেতে পারেন, যা ম্যাচটিকে একটি ভারসাম্যপূর্ণ বা ‘স্পোর্টিং’ লড়াইয়ে পরিণত করবে। এখন দেখার বিষয়, আহমেদাবাদের এই পিচ ভাগ্য শেষ পর্যন্ত কার দিকে যায়—ভারত নাকি ব্ল্যাক ক্যাপসদের?

গত কয়েক সপ্তাহের উত্তেজনাপূর্ণ প্রতিযোগিতার পর কে শিরোপা জিতবে, তা জানার অপেক্ষায় রয়েছে ক্রিকেটপ্রেমীরা। তবে প্রশ্ন উঠছে—ফাইনালে যদি বৃষ্টি বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে কীভাবে চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণ করা হবে?

আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী ফাইনালের দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা খুব কম। তবুও ক্রিকেটে আবহাওয়া সবসময়ই অনিশ্চিত। তাই ম্যাচটি বৃষ্টিতে বিঘ্নিত হলে বিকল্প ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

ফাইনালে ওয়াশআউট এড়াতে অতিরিক্ত ১২০ মিনিট সময় যোগ করা হবে, যাতে দুই দল অন্তত ১০ ওভার করে ব্যাটিং করার সুযোগ পায়। নকআউট ম্যাচে ফল নির্ধারণের জন্য ডাকওয়ার্থ লুইস মেথড প্রয়োগ করতে এটিই ন্যূনতম ওভারের শর্ত।

যদি নির্ধারিত দিনে ম্যাচ শেষ করা সম্ভব না হয়, তাহলে পরদিন রিজার্ভ ডে রাখা হয়েছে। সেক্ষেত্রে আগের দিন যেখানে খেলা থেমেছিল, সেখান থেকেই ম্যাচ আবার শুরু হবে। অন্যদিকে ম্যাচ যদি টাই হয়, তাহলে ফল নির্ধারণে সুপার ওভার হবে। তবে বিরল পরিস্থিতিতে যদি রিজার্ভ ডেতেও খেলা শেষ করা না যায়,

rতাহলে নিয়ম অনুযায়ী দুই দলকেই যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হবে। মানে নিউজিল্যান্ড ও ভারতকে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হবে। আইসিসি ফাইনালে এর আগে একবার যৌথ চ্যাম্পিয়নদের দেখা গিয়েছিল। ২০০২ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত ফাইনাল ও রিজার্ভ ডে ভেস্তে গেলে ভারত ও শ্রীলঙ্কা যৌথভাবে বিজয়ী হয়েছিল।








Loading...
Loading...


খেলাধুলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy