প্রকাশ: রোববার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ১০:১০ এএম (ভিজিট : ৫৫৮)

X
জ্বালানি সংকট ঠেকাতে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে।
দেশে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি তেলের সংকট এড়াতে আজ রোববার (৮ মার্চ) থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি শুরু হচ্ছে। এ বিষয়ে দেশের সব পেট্রোল পাম্পকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রাজধানীর পরীবাগ এলাকায় একটি পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন শেষে শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এ তথ্য জানান।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ ১০ লিটার জ্বালানি তেল নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল (এসইউভি), জিপ ও মাইক্রোবাসের ক্ষেত্রে প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ লিটার জ্বালানি তেল নেওয়ার সুযোগ থাকবে। পিকআপ ও লোকাল বাস প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল নিতে পারবে।
এ ছাড়া দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকের জন্য দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার পর্যন্ত জ্বালানি তেলের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিপিসি জানায়, দেশে ব্যবহৃত মোট জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক বিভিন্ন কারণে কখনো কখনো জ্বালানি তেল আমদানিতে বিলম্ব বা বিঘ্ন ঘটতে পারে।
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জ্বালানি তেলের মজুদ নিয়ে নেতিবাচক খবর ছড়িয়ে পড়ায় ভোক্তাদের মধ্যে অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হয়েছে। ফলে অনেক ডিলার আগের তুলনায় বেশি পরিমাণ জ্বালানি তেল ডিপো থেকে সংগ্রহের চেষ্টা করছেন বলেও জানিয়েছে বিপিসি।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলা ও সুষ্ঠু সরবরাহ নিশ্চিত করতে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।