প্রকাশ: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৯:২৫ পিএম (ভিজিট : ৮৮)

X
ব্রাজিলিয়ান সুপার স্টার নেইমার জুনিয়র-ফাইল ছবি
বিশ্বকাপের আগে ব্রাজিলের দু’টি প্রীতি ম্যাচের স্কোয়াডে ডাক পেয়েছিলেন নেইমার। ক্রোয়েশিয়া ও ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচে সান্তোসের তারকা ফুটবলারকে প্রাথমিক স্কোয়াডে রাখেন কার্লো আনচেলোত্তি। তবে জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার আগে নেইমারের চোটে পড়া তো অলিখিত নিয়ম। এবারও সেই নিয়মের বত্যয় ঘটেনি।
ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ‘ও গ্লোবো’ ও ‘ইউওএল’ এ খবর জানিয়েছে মাংসপেশিতে আবারও চোট পেয়েছেন নেইমার। আজ মিরাসলের বিপক্ষে সান্তোসের ম্যাচে খেলতে পারেনি ৩৪ বছর বয়সি ফরোয়ার্ড। এই ম্যাচটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ন ছিল নেইমারের জন্য। কারণ সেলেসাওদের কোচ আনচেলোত্তি এই ম্যাচের পারফরম্যান্স দেখেই শেষ সিদ্ধান্ত নেবেন যে সান্তোসের তারকাকে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে রাখা যাবে কি না।
বিশেষ এই ম্যাচটিতে খেলতে না পারায় নেইমারের ওপর চটেছেন সমর্থকদের একটি অংশ। একের পর এক চোট এমনিতে নিজের ওপরই বিরক্ত পিএসজির ও বার্সেলোনার সাবেক তারকা, এরমধ্যে সমালোচনা নেইমারের গায়ে অনেকটা কাঁটা গায়ে নুনের ছিটার মতোই লাগল।
সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে আজ একটি ভিডিও পোস্ট করেন নেইমার। ওই ভিডিও বার্তায় তিনি মিরাসোলের বিপক্ষে ম্যাচটি না খেলার কারণে যে সমালোচনার শিকার হয়েছেন তা নিয়ে মতামত জানান। নেইমার বলেন, তিনি নিজের প্রতি সমালোচনা বুঝতে পারছেন না, তবে নিশ্চিত যে তিনি যা কিছু করবেন, তার সমালোচকরা তা সবসময়ই প্রশ্নবিদ্ধ করবেন।
নেইমার বলেন, ‘আমি যদি চোট নিয়ে খেলি, আমি দোষী। আমি যদি নিজের কথা ভাবি, আমি দোষী। আমি যদি নিজেকে সামলাই, আমি দোষী। আমি যদি ব্যথার মধ্যে খেলি, তাও আমিই খারাপ।’
নিজের জীবন নিয়ে নেইমার যেন ক্লান্ত-বিধ্বস্ত। ভিডি বার্তায় নেইমারের কণ্ঠে ছিল রাগ, অভিমান, ‘আমি হওয়া সত্যিই কঠিনৃ সবাইকে সন্তুষ্ট করা খুব কঠিন।’
নেইমার সবশেষ ব্রাজিলের হয়ে মাঠে নামেন ২০২৩ সালের ১৮ অক্টোবর। উরুগুয়ের বিপক্ষে ওই ম্যাচের পর ধারাবাহিক চোটের কারণে আর পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের জার্সিতে দেখা যায়নি তাকে। এই মৌসুমে সান্তোসের হয়ে ৩টি ম্যাচ খেলে ২টি গোল এবং একটি অ্যাসিস্ট করেছেন নেইমার।