
X
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান
৫৪ বছর পর টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) বাসী মন্ত্রী পেয়ে আনন্দে ভাসছে। খবর জানার সঙ্গে সঙ্গে সখীপুর এবং বাসাইল উপজেলা শহরে আনন্দ মিছিল বের করে নেতা ও কর্মী সমর্থকরা। কেউ কেউ এসময় মিষ্টি বিতরণ করে। তাঁরা আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠে।
জাতীয় সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২মার্চ) মহামান্য রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদ ভবনে এ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান কে মন্ত্রী হিসেবে শপথ বাক্য পাঠ করান। মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় সখীপুর, বাসাইলের নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণের মাঝে খুশি ও আনন্দের জোয়ার বইছে। সখীপুর ও বাসাইল উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আনন্দ শোভাযাত্রাসহ মিষ্টি বিতরণের আয়োজন করে।
সখীপুরে শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজিম উদ্দিন মাস্টার, সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম মাস্টার, সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান শাজু, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আসাদ বাবুল, সখীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সানোয়ার হোসেন সজীব, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি খলিলুর রহমান, মীর আবুল হাসেম আজাদ সহ বিএনপির সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, এডভোকেট আহমেদ আযম খান পেশাগত জীবনে একজন আইনজীবী ও রাজনীতিক। তিনি কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
তিনি সফলতা ও দক্ষতার সাথে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। সখীপুর-বাসাইলের জনগণের সাথে সুদীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা এবং নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে এড. আহমেদ আযম খানের। তাঁর নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণের কাছে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন নেতা। সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সাথে প্রায় চল্লিশ হাজারের মতো ভোট বেশি পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, এই আসন থেকে ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হুমায়ূন খান পন্নী ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর থেকেই আসনটি বিএনপির হাতছাড়া ছিল। পরবর্তী সময়ে টাঙ্গাইল ০৮ আসন থেকে কেউ প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী ও মন্ত্রী হয়নি। এই আসন থেকে এই প্রথম এড. আহমেদ আযম খান পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন।
টাঙ্গাইল ০৮ সখীপুর-বাসাইল আসনের জনসাধারণ প্রথম মন্ত্রী পেয়ে আনন্দিত হয়েছেন। সখীপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সিকদার মোহাম্মদ ছবুর রেজা বলেন, আমরা সখীপুর বাসাইল তথা টাঙ্গাইলবাসী গর্বিত যে আমরা স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর এই প্রথম একজন মন্ত্রী পেলাম। আমরা সখীপুর এবং বাসাইলবাসী গর্বিত এবং আনন্দিত হয়েছি।
অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান ভাই মন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন। মাননীয় মন্ত্রীর হাত ধরে আমাদের সখীপুরের আঁটিয়া বন অধ্যাদেশ সহ সখীপুর বাসাইলের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হবে এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকান্ড ও উন্নয়ন সাধিত হবে। বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সাবেক ভিপি ও বাসাইল উপজেলা বিএনপি সাবেক সভাপতি এনামুল করিম অটল বলেন, এ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান সাহেব তৃণমূল থেকে তিল তিল করে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক কর্মী থেকে নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।
সুখে-দুঃখে এলাকার মানুষ তাঁকে পাশে পায়। আমরা বাসাইল উপজেলা বাসী সত্যিই ভাগ্যবান এবং গর্বিত বাসাইল উপজেলার সন্তান হিসেবে অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানকে মাননীয় মন্ত্রী হিসেবে পেলাম। আমরা মনে প্রানে চেয়েছিলাম তিনি যেনো মন্ত্রিসভায় স্থান পান আজকে আমাদের সেই মনের আশা পূর্ণ হয়েছে। আমরা বাসাইল সখীপুরবাসী আনন্দিত এবং গর্বিত হয়েছি।