ক্রেডিট কার্ডে ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাওয়া যাবে। এসব ঋণের সুদের হার হবে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ। এত দিন ক্রেডিট কার্ডে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাওয়া যেত।
নতুন ঋণের সীমা ঠিক করে আজ রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডসংক্রান্ত নীতিমালা জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলো ক্রেডিট কার্ডের বিপরীতে জামানতহীন ১০ লাখ টাকা ও জামানতের বিপরীতে ২৫ লাখ টাকা ঋণ দিতে পারে। এই সীমা বৃদ্ধি করে জামানতহীন ২০ লাখ টাকা ও জামানতের বিপরীতে ঋণসীমা ৪০ লাখ টাকা করা হলো। ব্যাংক হিসাবে জমা টাকার ওপর ক্রেডিট কার্ডে ঋণের সীমা বাড়ানো হয়, তাই নিরাপদ জামানত হিসেবে পরিচিত। এ ছাড়া কার্ডধারীরা তাঁদের মোট সীমার সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ নগদে উত্তোলন করতে পারবেন।
কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা কী?
ক্রেডিট কার্ড পেতে হলে আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। তবে ১৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা যারা প্রধান কার্ডধারীর ওপর নির্ভরশীল, তারা সাপ্লিমেন্টারি বা সম্পূরক কার্ড ব্যবহার করতে পারবে। এ ছাড়া আবেদনকারীর ই-টিন সনদ এবং একটি পরিষ্কার সিআইবি রিপোর্ট থাকতে হবে।
ঋণ পেতে কী থাকতে হবে?
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলো ক্রেডিট কার্ডের বিপরীতে জামানতহীন ১০ লাখ টাকা ও জামানতের বিপরীতে ২৫ লাখ টাকা ঋণ দিতে পারে। এই সীমা বৃদ্ধি করে জামানতহীন ২০ লাখ টাকা ও জামানতের বিপরীতে ঋণসীমা ৪০ লাখ টাকা করা হলো। ব্যাংক হিসাবে জমা টাকার ওপর ক্রেডিট কার্ডে ঋণের সীমা বাড়ানো হয়, তাই নিরাপদ জামানত হিসেবে পরিচিত। এ ছাড়া কার্ডধারীরা তাঁদের মোট সীমার সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ নগদে উত্তোলন করতে পারবেন।
সুদ ও মাশুল কত?
নীতিমালা মাশুলের বিষয়ে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ক্রেডিট কার্ডে ঋণের সর্বোচ্চ সুদ হবে ২৫ শতাংশ। সুদ শুধু বকেয়া টাকার ওপর মাশুল আরোপ করা হবে, মোট বিলের ওপর নয়। এ ছাড়া ক্রেডিট কার্ডে কেনাকাটার ক্ষেত্রে সুদহীন সুবিধা থাকলেও নগদ অর্থ উত্তোলনের ক্ষেত্রে এমন কোনো সুবিধা থাকবে না।
নীতিমালায় ফি বা মাশুলের ক্ষেত্রেও নতুন নিয়ম আনা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কার্ড সচল করার আগে কোনো ধরনের মাশুল নেওয়া যাবে না। বিল পরিশোধে বিলম্ব হলে বিলম্ব ফি মাত্র একবারই আরোপ করা যাবে। সুদহার বা অন্য কোনো চার্জ পরিবর্তনের অন্তত ৩০ দিন আগে কার্ডধারীকে লিখিত বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে জানাতে হবে।