প্রকাশ: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:১২ পিএম (ভিজিট : ৬৬)

X
ডিআইজি হাইওয়ে
হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে আমরা মহাসড়কে কম্প্রিহেনসিভ সিকিউরিটি প্ল্যান হাতে নিয়েছি। গত বছর পুলিশ এক্টিভিটিজ সীমিত হওয়ায় মহাসড়কে অনেক ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘটনা মাথায় রেখে এবার মহাসড়কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হয়েছে।
ইতোমধ্যে ঈদে ঘরমুখী মানুষ যাত্রা শুরু করেছে। এ বিষয়যটিকে সামনে রেখে আমরা মহাসড়কে যানজটের উপর একটি গ্রাউন্ড সার্ভে চালিয়ে সারা দেশে ২০৭টি (যানজট প্রবণ) "ব্ল্যাক স্পট" চিহ্নিত করেছি। তার মধ্যে ৩১টি স্পটে রাস্তার নির্মাণ ও সংস্কার কাজের কারণ রয়েছে। এ ব্যাপারে ঈদের আগে এসকল স্পট সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে বলা হয়েছে যাতে ঈদের আগেই এসব কাজ শেষ হয়। ৪৯টি স্পটে হাট-বাজার বসার কারনে যানজট সমস্যা হয়। স্থানীয় প্রশাসনকে ওইসব অস্থায়ী হাটবাজার উচ্ছেদ করার জন্য বলা হয়েছে। বাকিগুলো ট্রাফিক সংক্রান্ত কারণে যানজট হয়ে থাকে।
সোমবার দুপুরে তিনি গাজীপুরে কালিয়াকৈরের চন্দ্রা এলাকায় ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়ক পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, মহাসড়কে চাঁদাবাজি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং ডাম্পার ট্রাকসহ বিভিন্ন কারণে সৃষ্ট যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। যাত্রী ও পরিবহন চালকদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাতায়াত নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, মহাসড়কে কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। চাঁদাবাজি ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় হাইওয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জেলা পুলিশ সুপার শরীফ উদ্দিনসহ স্থানীয় পুলিশের বিভিন্ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।