প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৫ পিএম (ভিজিট : ২৪৭)

X
দেশীয় পাখির অস্তিত্ব আজ হুমকির মুখে। আবাসস্থল সংকট, খাদ্যের অভাব এবং অবাধ শিকারের কারণে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় এক সময়ের পরিচিত পাখি মাছরাঙা এখন বিলুপ্তির পথে।
সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন খাল-বিল ও জলাশয় ঘুরে দেখা গেছে, আগের মতো পাখির বিচরণ আর চোখে পড়ে না। এক সময় এ অঞ্চল ছিল পাখির অভয়ারণ্য। শালিক, ঘুঘু, টিয়া, বুলবুলি, শঙ্খচিল, বক, বাজপাখি, দোয়েল ও বাবুইসহ নানা প্রজাতির পাখির কোলাহলে মুখর থাকত এলাকা। শীত মৌসুমে পরিযায়ী পাখির উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে এখন সেই চিত্র অনেকটাই অতীত।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অসাধু শিকারিরা ফাঁদ, এয়ারগান ও বিষটোপ ব্যবহার করে নির্বিচারে পাখি শিকার করছে। পাশাপাশি খাল-বিল ভরাট ও মাছ চাষের কারণে প্রাকৃতিক আবাসস্থলও হারিয়ে যাচ্ছে দ্রুত।
পাখিপ্রেমী বাবলু মণ্ডল বলেন, “পাখিরাও আমাদের পরিবেশের অংশ। তাদের বাঁচানোর দায়িত্ব আমাদের সবার। এক সময় এলাকায় প্রচুর মাছরাঙা দেখা যেত, এখন তা প্রায় নেই বললেই চলে।”
প্রাণি ও পাখি বিশেষজ্ঞ শরীফ খান বলেন, “পাখিদের জন্য উপযুক্ত আবাসস্থল ক্রমেই কমে যাচ্ছে। জলাশয়গুলো মাছ চাষের আওতায় চলে যাওয়ায় তারা স্বাভাবিকভাবে বিচরণ করতে পারছে না। এছাড়া শিকারও একটি বড় হুমকি।”
তিনি আরও বলেন, পাখি বিলুপ্ত হলে জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য নষ্ট হবে, যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই পাখি সংরক্ষণে এখনই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।