
X
বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিং
বৈশ্বিক মন্দা, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি প্রভৃতি চাপের মধ্যে থেকেও পোশাক শিল্পের উদ্যোক্তারা নিজস্ব দায়বদ্ধতা থেকে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও ঈদ বোনাস পরিশোধ সম্পন্ন করেছেন।
বুধবার (১৮ মার্চ) বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এ কথা বলেন।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের সভাপতিত্বে প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান, সহ-সভাপতি (অর্থ)মিজানুর রহমান, সহ-সভাপতি ভিদিয়া অমৃত খান, সহ-সভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী, পরিচালক শাহ রাঈদ চৌধুরী, পরিচালক ফয়সাল সামাদ, পরিচালক নাফিস- উদ- দৌলা, পরিচালক মজুমদার আরিফুর রহমান, পরিচালক শেখ হোসেন মোহাম্মদ মোস্তাফিজ, পরিচালক কাজী মিজানুর রহমান, পরিচালক জোয়ারদার মোহাম্মদ হোসনে কমার আলম, পরিচালক এ.বি.এম. সামছুদ্দিন, ড. রশিদ আহমেদ হোসাইনী, পরিচালক রুমানা রশীদ, পরিচালক মোহাম্মদ সোহেল,পরিচালক সামিহা আজিম এবং বিজিএমইএ এর জনসংযোগ ও প্রচার কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদ কবির ও ওয়ান স্টপ সেলের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক ভূইঁয়া।
বিজিএমইএ সভাপতি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় পর্যায়ের বহুমুখী সংকটের মধ্যে থেকেও বিজিএমইএ সদস্যরা শ্রমিক ভাই-বোনদের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে তাদের বেতন, ভাতা, উৎসব বোনাস পরিশোধে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছেন, যার ফলশ্রুতিতে শ্রমিক ভাইবোনেরা আইন সম্মত পাওনা বুঝে পেয়েছেন এবং শিল্প এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।
তিনি সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বর্তমান শিল্পবান্ধব ও শ্রমবান্ধব সরকার কর্তৃক শ্রমিকদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধের জন্য সহজ শর্তে বিশেষ ঋণ সুবিধা প্রদান এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে ২৫০০ কোটি টাকার নগদ সহায়তা ছাড় করা - এই পদক্ষেপগুলো পোশাকখাতের উদ্যোক্তাদের তীব্র তারল্য সংকট লাঘবে এবং শিল্পের চাকা সচল রাখতে অত্যন্ত কার্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয় যে, বিজিএমইএ এর তালিকাভুক্ত কারখানাগুলোর মধ্যে ৯৯.৯১% কারখানায় ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন এবং ৯৯.৮১% কারখানায় ঈদ বোনাস প্রদান সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট হাতেগোনা কয়েকটি কারখানার পাওনা পরিশোধ বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, যা আজকের মধ্যে সম্পন্ন হবে। এছাড়া কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা না থাকা সত্ত্বেও প্রায় ৬৪.০৩% কারখানা মানবিক বিবেচনায় মার্চ মাসের আংশিক বেতন অগ্রিম হিসেবে শ্রমিকদের প্রদান করেছে। মহাসড়কে যাত্রীদের চাপ কমাতে এলাকাভিত্তিক ধাপে ধাপে ছুটি প্রদান করা হচ্ছে। ১৭ মার্চ পর্যন্ত ৫০% কারখানায় ছুটি হয়েছে এবং আজ ও আগামীকালের মধ্যে বাকি কারখানাগুলো ছুটি প্রদান করবে।