প্রকাশ: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৮:২৫ পিএম (ভিজিট : ১০)

X
: রিশাদ হোসেনের এক ওভারে পাল্টে যায় ম্যাচের চিত্র
জয়ের জন্য শেষ পাঁচ ওভারে পেশাওয়ার জালমির প্রয়োজন ৭৪ রান। ম্যাচের লাগাম তখন অনেকটাই রাওয়ালপিন্ডি পিন্ডিজের মুঠোয়। তখন পর্যন্ত তিন ওভারে কেবল ১৭ রান দেওয়া রিশাদ হোসেন ষোড়শ ওভারে দিয়ে ফেললেন ১৮ রান। আব্দুল সামাদ ও মাইকেল ব্রেসওয়েলের শেষের ঝড়ে রাওয়ালপিন্ডির মুঠো থেকে জয় বের করে নিল পেশাওয়ার।
পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) শনিবার বড় স্কোরের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে পেশাওয়ারের জয় ৫ উইকেটে। ২১৫ রানের লক্ষ্য পাঁচ বল হাতে রেখে পেরিয়ে যায় বাবর আজমের দল।
রাওয়ালপিন্ডির হয়ে চার ওভারে ৩৫ রান দিয়ে একটি উইকেট পান রিশাদ। বাংলাদেশের আরেক ক্রিকেটার শরিফুল ইসলাম পেশাওয়ারের হয়ে চার ওভারে ৩১ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে পিএসএলের ম্যাচে সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ড এটি।
রান তাড়ায় প্রথম সাত ওভারে পেশাওয়ার তোলে বিনা উইকেটে ৭০ রান। অষ্টম ওভারে বল হাতে পান লেগ স্পিনার রিশাদ। তার দারুণ বোলিংয়ে কেবল পাঁচটি সিঙ্গল নিতে পারেন বাবর আজম ও মোহাম্মাদ হারিস।
পরের দুই ওভারে বিদায় নেন বাবর (২৮ বল ৩৯) ও হারিস (২৮ বলে ৪৭)।
একাদশ ওভারে বোলিংয়ে ফিরে প্রথম চার বলে রিশাদ দেন দুটি রান। পঞ্চম বলে তাকে ছক্কায় ওড়ান কুসাল মেন্ডিস। শেষ বলে আসে এক রান।
নিজের তৃতীয় ও ইনিংসের চতুর্দশ ওভারে উইকেটের দেখা পান রিশাদ। তার তৃতীয় বল বেরিয়ে এসে খেলে লং-অফে ধরা পড়েন অ্যারন হার্ডি। এই ওভারে কেবল ৪ রান দেন তিনি।
শেষ পাঁচ ওভারে পেশাওয়ারের দরকার যখন ৭৪ রান, ষোড়শ ওভারে রিশাদের প্রথম বলে ছক্কা মারেন সামাদ। পরপর ছক্কা ও চার মারেন ব্রেসওয়েল। এই ওভারে ১৮ রানে পাল্টে যায় চিত্র।
পরের ওভারে নাসিম শাহকে একটি করে ছক্কা মারেন সামাদ ও ব্রেসওয়েল। অষ্টাদশ ওভারে মোহাম্মাদ আমিরকে দুটি ছক্কা ও একটি চার মেরে বিদায় নেন সামাদ (১১ বলে ৩৩)।
শেষ দুই ওভারে দরকার ছিল ২১ রান। ১৯তম ওভারে নাসিমকে পরপর ছক্কা ও চার মারেন আমের জামাল। শেষ ওভারে আসিফ আফ্রিদিকে চার মেরে ম্যাচের ইতি টেনে দেন তিনিই (৫ বলে ১৭*)।
তিন চার ও দুই ছক্কায় ১৭ বলে ৩৫ রানে অপরাজিত থাকেন ব্রেসওয়েল।