
X
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ফিলিং স্টেশনগুলোতে নিরাপত্তা ও সামঞ্জস্যপূর্ণ তেল সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর মগবাজারে সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি ঘোষণা করেন অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল।
সংবাদ সম্মেলনে অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা জোরদার করা এবং ডিপো থেকে ট্যাঙ্কলরির চেম্বারের ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এতে পেট্রোল পাম্পে অযথা হুমড়ি খাওয়া ও তেল সংকট এড়ানো সম্ভব হবে।
অ্যাসোসিয়েশনের মূল দাবিগুলো হলো—
● ফিলিং স্টেশনগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
● বাস্তবতার নিরিখে তেল সরবরাহের সামঞ্জস্য বজায় রাখা।
● ক্রেতা সাধারণকে সচেতন করা এবং ধৈর্য ধারণ করতে উৎসাহিত করা।
● পেট্রোল পাম্পে ট্যাঙ্ক শূন্য অবস্থায় তেল নিতে ক্রেতাদের হঠাৎ ঝাঁপিয়ে পড়া থেকে বিরত রাখা।
● পেট্রোল পাম্পে তেল বিক্রির সময়সীমা সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা।
● উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সব পেট্রোল পাম্পে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা জোরদার করা।
● ডিপো থেকে ট্যাঙ্কলরির চেম্বারের ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা, যা নাহলে পরিবহণ খরচ বৃদ্ধি পাবে।
● সরকারের মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা এবং অযথা পেট্রোল পাম্প আক্রমণ বা মালিকদের উপর একতরফা দোষ চাপানো এড়ানো। এ ক্ষেত্রে সরকারের ট্যাগ অফিসার নিয়োগকে অ্যাসোসিয়েশন সাধুবাদ জানিয়েছে।
সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল আরও বলেন, “পেট্রোল পাম্পের নিরাপত্তা ও তেল সরবরাহের বিষয়টি সঠিকভাবে পরিচালনা করা জরুরি। এতে সাধারণ মানুষের স্বাচ্ছন্দ্য এবং ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা দুইই নিশ্চিত হবে।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত অন্যান্য সদস্যরা বলেন, তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে সামঞ্জস্য না থাকলে পরিবহণ খরচ বেড়ে যাবে, যা জনগণ ও ব্যবসায়ীদের জন্য কষ্টসাধ্য হবে। তাই সরকারের মনিটরিং কার্যক্রম কার্যকর করা এবং ট্যাগ অফিসারের মাধ্যমে পর্যাপ্ত তদারকি অত্যন্ত প্রয়োজন।
অ্যাসোসিয়েশনের এই ৮ দফা দাবি সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে প্রেরণ করা হবে এবং তাদের কার্যক্রম তদারকি করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল ফিলিং স্টেশন মালিকদের সচেতন করা হবে।