জানুন শিশুকে কখন কোন টিকা দেবেন

অনলাইন ডেস্ক

স্বাস্থ্য

একটি সুস্থ ও সক্ষম প্রজন্ম গড়ে তুলতে শিশুর নির্দিষ্ট সময়মতো টিকাদান বা ইপিআই কার্যক্রমের বিকল্প নেই।জন্মের পর নির্ধারিত

2026-04-01T15:20:54+00:00
2026-04-01T15:20:54+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
জানুন শিশুকে কখন কোন টিকা দেবেন
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২০ পিএম   (ভিজিট : ৪৮)
সংগৃহীত ছবি
X

সংগৃহীত ছবি

একটি সুস্থ ও সক্ষম প্রজন্ম গড়ে তুলতে শিশুর নির্দিষ্ট সময়মতো টিকাদান বা ইপিআই কার্যক্রমের বিকল্প নেই।

 জন্মের পর নির্ধারিত বয়সে সঠিক টিকা নেওয়া শিশুকে বিভিন্ন ভয়াবহ সংক্রামক রোগ থেকে রক্ষা করে এবং তার রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে।

টিকাদানের সময়সূচি
বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) অনুযায়ী, জন্মের পর থেকে ১৫ মাস বয়সের মধ্যে শিশুকে মোট ১০টি রোগ প্রতিরোধের জন্য টিকা দেওয়া হয়।



টিকাদানের সময়সূচি

জন্মের পরপরই যক্ষ্মা প্রতিরোধে বিসিজি টিকা দেওয়া হয়।
৬, ১০ ও ১৪ সপ্তাহে, পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা (ডিপথেরিয়া, ধনুষ্টঙ্কার, হুপিং কাশি, হেপাটাইটিস বি, হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জি) এবং ওপিভি (পোলিও) ও পিসিভি (নিউমোনিয়া) দেওয়া হয়। এছাড়া ৬ ও ১৪ সপ্তাহ বয়সে ইনজেকটেবল পোলিও (এফআইপিভি) দেওয়া হয়।
৯ ও ১৫ মাসে হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে দুই ডোজ এমআর টিকা দেওয়া হয়।
এছাড়া, টাইফয়েড জ্বর প্রতিরোধের জন্য ৯ মাস বয়সে এক ডোজ টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) দেওয়া হয়।
জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকা দেওয়া হয়। মূলত পঞ্চম থেকে নবম শ্রেণির ছাত্রী বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে থাকা ১০–১৪ বছর বয়সী কন্যাশিশুদের জন্য এই টিকা রয়েছে। বাংলাদেশে নারীদের মধ্যে জরায়ুমুখ ক্যানসারের মৃত্যুহার সবচেয়ে বেশি। সময়মতো এই টিকা নেওয়ার মাধ্যমে ভবিষ্যতে এই ক্যানসারের ঝুঁকি প্রায় শতভাগ কমানো সম্ভব।
প্রজননযোগ্য বয়সী নারীদের (১৫–৪৯ বছর) ধনুষ্টঙ্কার বা টিটেনাস থেকে সুরক্ষার জন্য ৫ ডোজ টিকা দেওয়া হয়। এটি মা ও ভবিষ্যৎ সন্তানের দু’জনকেই প্রাণঘাতী ধনুষ্টঙ্কার থেকে রক্ষা করে।

শিশুকে কখন কোন টিকা দেবেন
ডোজ মিস হলে করণীয় ও ঝুঁকি
যদি কোনো কারণে নির্ধারিত সময়ে টিকা নেওয়া না হয়, তবে হতাশ হওয়ার প্রয়োজন নেই। দ্রুত কাছের টিকাদান কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। ডোজ মিস করলে শিশুর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্ণ গড়ে উঠতে পারে না এবং সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। মনে রাখতে হবে, দেরি হলেও টিকা নেওয়া না নেওয়ার চেয়ে অনেক বেশি জরুরি।



কেন রক্তের গ্রুপ জেনে রাখা জরুরি?
বুস্টার ডোজের প্রয়োজনীয়তা
কিছু টিকার কার্যকারিতা সময়ের সঙ্গে কমতে পারে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পুনরায় শক্তিশালী করার জন্য বুস্টার ডোজ নেওয়া প্রয়োজন। উদাহরণস্বরূপ, ধনুষ্টঙ্কার বা ডিপথেরিয়ার ক্ষেত্রে বুস্টার ডোজ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করে।





Loading...
Loading...


স্বাস্থ্য এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy