রাশিয়া থেকে ৬ লাখ টন ডিজেল আনতে চায় সরকার, অপেক্ষা যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতির!

নিজস্ব প্রতিবেদক

অর্থ-বানিজ্য

রাশিয়া থেকে দুই মাসে অন্তত ৬ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করতে চায় সরকার। এতে প্রায় দেড় মাসের

2026-04-03T12:39:41+00:00
2026-04-03T12:39:41+00:00
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬ ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬
   
রাশিয়া থেকে ৬ লাখ টন ডিজেল আনতে চায় সরকার, অপেক্ষা যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতির!
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৯ পিএম   (ভিজিট : ১২৭)
X

রাশিয়া থেকে দুই মাসে অন্তত ৬ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করতে চায় সরকার। এতে প্রায় দেড় মাসের জ্বালানি চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। তবে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি থাকায় পুরো বিষয়টি নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতির ওপর। এ নিয়ে মার্কিন রফতানি দফতরে চিঠি দেয়া হয়েছে, এখন জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে জ্বালানি বিভাগ।

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট সংকট এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সাময়িক শিথিলতার প্রেক্ষাপটে আবারও আলোচনায় এসেছে রাশিয়ার জ্বালানি তেল। গত মাসে ঢাকাকে অপরিশোধিত তেল ও ডিজেল-দুই ধরনের জ্বালানি আমদানির প্রস্তাব দিয়েছে মস্কো।

তবে মধ্যপ্রাচ্যের তেলের তুলনায় রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ভারি হওয়ায় তা দেশের একমাত্র পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারিতে শোধন উপযোগী নয়। তাই রাশিয়া থেকে পরিশোধিত ডিজেল আমদানিতে আগ্রহী জ্বালানি বিভাগ। দুই মাসে ৬ লাখ টন ডিজেল আমদানির আলোচনা চলছে, যা দেড় মাসের চাহিদার সমান।
 
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে সমন্বয় করে এই ৬ লাখ টন আনা গেলে তা দেশের জন্যই ভালো হবে। তবে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কারণ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আবার কার্যকর হতে পারে। এই সময়টাকেই কাজে লাগাতে হবে।

এদিকে, রাশিয়া থেকে তেল আমদানির বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতির ওপর নির্ভর করছে। নিষেধাজ্ঞায় শিথিলতা চেয়ে এরই মধ্যে মার্কিন রফতানি দফতরে চিঠি দেয়া হয়েছে। এখন অপেক্ষা ওয়াশিংটনের ইতিবাচক সাড়ার।
 
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে, আমরা চিঠি দিয়েছি। যদি স্যাংশন ওয়েভার পাই, তাহলে কতদিনের জন্য এবং কত মেট্রিক টনের জন্য তা জানা যাবে। আর ওয়েভার না পেলে ওই উৎস থেকে তেল আনা সম্ভব হবে না।
 
গত মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ওয়াশিংটনে মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকেও রুশ তেলের বিষয়টি উঠে আসে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কৌশলী জ্বালানি কূটনীতি দেখাতে পারলে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া সম্ভব।
 
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, অন্য দেশকে যদি ছাড় দেয়া হয়, তাহলে বাংলাদেশকে না দেয়ার কারণ নেই। এখানে মূল বিষয় হলো নেগোসিয়েশন। যুক্তরাষ্ট্রকে বোঝাতে হবে, বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট হলে তার প্রভাব তাদের বাজারেও পড়বে। কারণ বাংলাদেশ থেকে যেসব পণ্য আমেরিকাতে যায়, সেগুলোর দামও বেড়ে যেতে পারে।
 
এর আগে ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধের পর রাশিয়া থেকে তেল কেনার প্রস্তাব এলেও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে তা এগোয়নি। বর্তমানে বৈশ্বিক সংকটে জ্বালানি কূটনীতিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সব পক্ষের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ যোগাযোগ বজায় রাখতে পারলে জ্বালানি পরিস্থিতি সামাল দেয়া সহজ হবে।






Loading...
Loading...


অর্থ-বানিজ্য এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy