প্রকাশ: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০৩ পিএম (ভিজিট : ৫৫)

X
সন্ধ্যার পরও চলছে বেচাকেনা
যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের কারণে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে মার্কেট ও শপিংমল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হলেও রাজধানীর গুলিস্তান এলাকার মার্কেটগুলোসহ বেশ কয়েকটি মার্কেটে সন্ধ্যার পরেও বেচাকেনা করতে দেখা গেছে। ক্রেতা-বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা রাত আটটা মার্কেট ও দোকানপাট খোলা রাখার দাবি করছেন।
শনিবার (৪ এপ্রিল) গুলিস্তান হকার মার্কেট, বাইতুল মোকাররম মার্কেট, পীর ইয়ামেনী মার্কেট ও রমনা মার্কেট, কাকরাইল কর্ণফুলী গার্ডেন, সিটি হার্ট মার্কেট ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
সরেজমিনে দেখা যায়, সন্ধ্যা ৬টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে মার্কেটের কেঁচিগেটগুলো তালাবদ্ধ করা হলেও ভেতরে তখনও চলছিল বেচাকেনা। কয়েকটি দোকানে ক্রেতা না থাকায় তারা দোকান বন্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। মার্কেটের ভেতরে থাকা ক্রেতাদের বের হওয়ার জন্য একটি গেট খোলা রাখা হয় এবং সেখান দিয়েই ধীরে ধীরে সবাই বের হয়ে যান।
যদিও কিছু দোকান ঠিক সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়, তবে অনেক দোকানে তখনও ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল। তবে মার্কেটের জুয়েলারি দোকানগুলোতে নির্ধারিত সময়েই শাটার নামিয়ে ভেতরে হিসাব-নিকাশ করতে দেখা গেছে।
অন্যদিকে, বাইতুল মোকাররম মার্কেটসহ অনেক মার্কেটের বাইরের ফুটপাতের দোকানগুলোর চিত্র ছিল ভিন্ন। সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ থাকায় কেউ মোবাইলের আলোতে, কেউ চার্জার লাইট জ্বালিয়ে বেচাকেনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
দোকানিদের দাবি, গরমের কারণে দিনের বেলায় ক্রেতা কম থাকলেও বিকেলের দিকে ভিড় বাড়ে। এ কারণে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান বন্ধ করা বাস্তবে কঠিন হয়ে পড়ে। তাই রাত আটটা পর্যন্ত ব্যবসা করার সুযোগ চেয়েছেন দোকান মালিক ও বিক্রেতারা।
উল্লেখ্য, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার সারা দেশের মার্কেট, দোকান ও শপিংমল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছে। তবে নির্দেশনা কার্যকর হওয়ার প্রথম দিকেই রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেটে আংশিকভাবে এ সিদ্ধান্ত উপেক্ষার অভিযোগ উঠেছে।