এবারের আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসের বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য ‘Honouring Indigenous Midwives: Safeguarding Life and Well-being’। বাংলায় যার অর্থ—‘আদিবাসী ধাত্রীদের সম্মান: জীবন ও কল্যাণ সুরক্ষা’। এবারের প্রতিপাদ্যে আদিবাসী ধাত্রীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা তাদের ঐতিহ্যগত স্বাস্থ্যজ্ঞান ও মাতৃসেবার ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরতে আলোচনা সভা, গণসমাবেশসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে আদিবাসী, সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো।
বিশ্বের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, তাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং জীবন-জীবিকার নানা সংকট সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রতিবছর ৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত হয়। ১৯৯৪ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ৯ আগস্টকে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দিবসটি দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য উদযাপনের পাশাপাশি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভূমি অধিকার, সাংবিধানিক স্বীকৃতি, মাতৃভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, নারীর অধিকার, ঐতিহ্যগত জ্ঞান এবং নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সামনে আনার সুযোগ তৈরি করে।
দিবসটি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আয়োজিত কর্মসূচিতে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, বৈষম্য দূরীকরণ এবং তাদের ভাষা-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের দাবি আরও জোরালোভাবে তুলে ধরা হচ্ছে।