জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, রোববার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে শুক্রবার ও শনিবার। তবে জরুরি সেবাখাত এই সময়সূচির বাইরে থাকবে এবং পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী তাদের কার্যক্রম চলবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আদালতের সময়সূচি নির্ধারণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে সুপ্রিম কোর্ট। অন্যদিকে বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মঘণ্টা নির্ধারণে শ্রম আইন অনুযায়ী নির্দেশনা প্রদান করবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অফিস সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে দৈনিক ৭ ঘণ্টা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়াও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে সন্ধ্যা ৬টার পর শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিয়ে বা সামাজিক অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জা সীমিত রাখার কথাও বলা হয়েছে।
অন্যদিকে, ব্যাংকিং খাতেও নতুন সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, রোববার থেকে ব্যাংক খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। তবে গ্রাহক লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে শুক্রবার ও শনিবার।
এছাড়া সমুদ্রবন্দর, স্থলবন্দর ও বিমানবন্দর এলাকার ব্যাংক শাখাগুলো আগের মতোই সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
সরকারের এই উদ্যোগকে জ্বালানি সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে বিদ্যুৎ ব্যবহারে চাপ কমবে এবং সামগ্রিকভাবে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।