বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘ইলিশ গবেষণা: অর্জিত সাফল্য, জাটকা সংরক্ষণ ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইলিশ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য। এই মূল্যবান সম্পদ সংরক্ষণে সবাইকে সচেতন হতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জাটকা ধরা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা গেলে দেশে ইলিশ উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
তিনি আরও জানান, জেলেদের সহায়তায় সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গত দুই মাসে প্রায় ৪০ হাজার জেলে পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া শুরু হয়েছে। প্রতিটি পরিবারকে ৮০ কেজি চাল, ১২ কেজি আটা, ১০ লিটার তেল, ৪ কেজি চিনি, ৮ কেজি ডাল এবং ১৬ কেজি আলু দেওয়া হচ্ছে, যার মোট মূল্য প্রায় ছয় হাজার টাকা। অতীতের তুলনায় এটি অনেক বড় সহায়তা বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নিষিদ্ধ মৌসুমে ইলিশ আহরণ থেকে বিরত থাকার জন্য জেলেদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আইন মেনে চলা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ইলিশ সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। সভাপতিত্ব করেন ড. অনুরাধা ভদ্র, মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট।
গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন। এছাড়া আরও বক্তব্য দেন মোঃ জিয়া হায়দার চৌধুরী, ড. কাজী আহসান হাবীব এবং ড. মো: মোতালেব হোসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মোহাম্মদ আশরাফুল আলম।