আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিশ্চিতভাবে মারা যাওয়া দুই শিশুই ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা। অন্যদিকে, হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া পাঁচ শিশুর মধ্যে চারজন ঢাকা বিভাগের এবং একজন রাজশাহী বিভাগের।
১২ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে ১৩ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত সারা দেশে মোট ১ হাজার ৩৭১ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৬১৫ জন রোগী ঢাকা বিভাগে পাওয়া গেছে। একই সময়ে ৭২৯ জন রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যাদের মধ্যে ২৭৪ জনই ঢাকা বিভাগের।
অন্যদিকে, এ সময়ে সবচেয়ে কম রোগী ভর্তি হয়েছে রংপুর বিভাগে ১১ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ১৭ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৭১৩ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৩০৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ১২ জন এবং চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে ১০৩ জন করে রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে মোট ৩০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৫৬ জন শিশুর।
এছাড়া এ সময়ের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ১৭ হাজার ২৪ জনের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ৯৫৪ জন। তাঁদের মধ্যে ২ হাজার ৭২১ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। আর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন ৮ হাজার ৩৬৯ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে স্বাস্থ্য বিভাগ। সন্দেহভাজন রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি টিকাদান কার্যক্রম ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।