প্রকাশ: রোববার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০৯ পিএম আপডেট: ১৯.০৪.২০২৬ ৯:১১ পিএম (ভিজিট : ৫৪)

X
সংগৃহীত ছবি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাস ফিল্ডে খনন করা হচ্ছে দেশের প্রথম ‘গভীর অনুসন্ধান কূপ’। খনন শেষে এ কূপ থেকে প্রতিদিন প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডের যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৫ হাজার ৬০০ মিটার গভীরতায় নতুন কূপটি খননে সময় লাগবে প্রায় সাত মাস। রোববার দুপুরে সদর উপজেলার বুধল এলাকায় কূপটির খনন কাজের উদ্বোধন করেন পেট্রোবাংলার পরিচালক (অর্থ) এ কে এম মিজানুর রহমান।
তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানায়, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) পরিচালিত তিতাস গ্যাস ফিল্ডের উৎপাদনের থাকা ২২টি কূপ থেকে বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৩২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে গ্যাস উত্তোলনের ফলে মজুত এবং চাপ কমেছে দেশের সবচেয়ে প্রাচীন এই গ্যাস ফিল্ডের সবকটি কূপে। এতে করে কমেছে উৎপাদনও।
এ অবস্থায় গ্যাসের নতুন উৎস খুঁজতে থ্রিডি সাইসমিক জরিপ প্রকল্প নেয় বিজিএফসিএল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিতাস ও বাখরাবাদ ফিল্ডে খনন করা হচ্ছে দুইটি গভীর অনুসন্ধান কূপ। এ খনন কাজ করছে চীনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সিসিডিসি। খনন শেষে কূপটি থেকে প্রতিদিন উত্তোলন করা হবে প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।
বিজিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল জলিল প্রামাণিক বলেন, তিতাসসহ বিজিএফসিএল পরিচালিত অন্যান্য ফিল্ডগুলো থেকে গ্যাসের উৎপাদন বাড়াতে নতুন কূপ খনন ও পুরনো কূপের ওয়ার্কওভার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। তিতাস ও বাখরাবাদ ফিল্ডে দুইটি গভীর অনুসন্ধান কূপ সফলভাবে খনন করা গেলে জ্বালানি খাতের জন্য মাইলফলক হবে। জ্বালানি সংকট অনেকটাই কেটে যাবে।
পেট্রোবাংলার পরিচালক (অর্থ) এ কে এম মিজানুর রহমান বলেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে চলতি বছরের মধ্যে ৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রচ্যে যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে দেশীয় জ্বালানির উৎস অনুসন্ধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ অবস্থায় দেশের প্রথম গভীর অনুসন্ধান কূপ খননের উদ্দেশ্য সফল হলে জ্বালানি সংকট কমে যাবে।
খনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল জলিল প্রামাণিক, কোম্পানি সচিব মোজাহার আলী, প্রকল্প পরিচালক মো. মাহমুদুল নবাব ।