প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৬ পিএম (ভিজিট : ৬৭)

X
ম্যাচসেরার পুরস্কার নিচ্ছেন নাহিদ রানা
পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যান অব দা সিরিজ হয়েছেন নাহিদ রানা। তাতে করে কিংবদন্তি পেসার মাশরাফি বিন মর্তুজার টানা দুইবার ম্যাচসেরার রেকর্ডেরও সঙ্গী হয়েছেন নাহিদ রানা।
নাজমুল হোসেন শান্ত নাকি মুস্তাফিজুর রহমান? ম্যান অব দা ম্যাচ কে হবেন, কৌতূহল ছিল কিছুটা। ৫ উইকেট শিকারি মুস্তাফিজকে ছাপিয়ে ম্যাচের সেরা হয়েছেন সেঞ্চুরিয়ান নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে সিরিজ সেরা কে হবেন, কারও মনে সম্ভবত কোনো সংশয় ছিল না। নাহিদ রানা ছাড়া কে!
নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে এই সিরিজটি নাহিদের জন্য শুরু হয়েছিল হতাশায়। ১০ ওভারে ৬৫ রান দিয়ে উইকেট জুটেছিল একটি। সেই তিনিই পরের দ্ইু ম্যাচে এতটা দারুণ বোলিং করলেন যে, সিরিজ সেরার স্বীকৃতি পেয়ে গেলেন।
ছোট্ট ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এই নিয়ে দুই দফায় ম্যান অব দা সিরিজ হয়ে গেলেন ২৩ বছর বয়সী ফাস্ট বোলার। পাকিস্তানের বিপক্ষে সবশেষ সিরিজেও তিনি ছিলেন সিরিজ-সেরা। সেবার অবশ্য যৌথভাবে সেরায় তার সঙ্গী ছিলেন তানজিদ হাসান।
বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে দ্ইুবার সিরিজ সেরা হতে পেরেছেন কেবল আর একজনই, মাশরাফি বিন মর্তুজা। ক্যারিয়ারের শুরুতেই দেশের এক কিংবদন্তিকে স্পর্শ করে ফেললেন নাহিদ।
একটি জায়গায় অবশ্য তিনি ছাড়িয়ে গেছেন মাশরাফিসহ দেশের সব পেসারকে। টানা দুবার সিরিজ সেরা হতে পারেননি তো আর কেউ!
মাশরাফি প্রথমবার সেরা হন ২০০৬ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে সিরিজে। পরেরবার সেরার পুরস্কার পান তিনি ২০০৭ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে।
নাহিদ তাকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশের প্রথম পেসার হিসেবে সেরা হলেন টানা দুই সিরিজ। এই দুই সিরিজের পারফরম্যান্সে মিলও আছে। দুই সিরিজেই পেয়েছেন তিনি ৮টি করে উইকেট। দুই সিরিজেই একটি করে ম্যাচে ৫ উইকেট ছিল তার। বোলিং গড় ও ওভারপ্রতি রান দেওয়ার ক্ষেত্রে ও পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজটিকে ছাড়িয়ে গেছেন এই সিরিজে। অবশ্য পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজটিতে খেলা হয়েছিল অনেক বেশি ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে, সেটিও মাথায় রাখতে হবে।
তবে পিচ যেমনই হোক, নাহিদ ক্রমেই হয়ে উঠছেন প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের আতঙ্ক আর বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকেই দুইবার সেরা হয়ে রেকর্ডেও নিজের নাম খোদাই করে ফেললেন।
বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে মাশরাফি ও নাহিদ ছাড়া ম্যান অব দা সিরিজ হয়েছেন আর কেবল দুজন। অভিষেক সিরিজেই ২০১৫ সালে ভারতের বিপক্ষে ১৩ উইকেট নিয়ে সেরা হয়েছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান, ২০২২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় ৮ উইকেট নিয়ে সেরা হয়েছিলেন তাসকিন আহমেদ।