হরমুজে আরও বড় হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের, লক্ষ্যবস্তু কারা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

চলমান পরোক্ষ আলোচনা ও সাময়িক যুদ্ধবিরতি যদি কোনো কারণে ভেস্তে যায়, তবে হরমুজ প্রণালিতে থাকা ইরানের সামরিক শক্তি

2026-04-24T16:45:29+00:00
2026-04-24T16:53:40+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
হরমুজে আরও বড় হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের, লক্ষ্যবস্তু কারা?
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৪৫ পিএম  আপডেট: ২৪.০৪.২০২৬ ৪:৫৩ পিএম  (ভিজিট : ২২৫)
হরমুজে আরও বড় হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের
X

হরমুজে আরও বড় হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

চলমান পরোক্ষ আলোচনা ও সাময়িক যুদ্ধবিরতি যদি কোনো কারণে ভেস্তে যায়, তবে হরমুজ প্রণালিতে থাকা ইরানের সামরিক শক্তি গুঁড়িয়ে দিতে নতুন এক রণপরিকল্পনা সাজাচ্ছে মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা। সিএনএনের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

পেন্টাগনের এই পরিকল্পনায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি, ওমান উপসাগর এবং আরব সাগরের দক্ষিণাঞ্চলে ইরানের সক্ষমতা নষ্ট করার ওপর বিশেষ জোর দেয়া হয়েছে। 

মূলত ইরানের দ্রুতগামী অ্যাটাক বোট, মাইন ফেলার জাহাজ এবং উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা—যা ব্যবহার করে তেহরান এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বন্ধ করে রেখেছে—সেগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার কথা ভাবছে ওয়াশিংটন।

শীর্ষ সামরিক নেতারা হতে পারেন লক্ষ্যবস্তু  
সরাসরি ইরানের সামরিক নেতৃত্বের ওপর আঘাত হানা হলো পরিকল্পনার অন্যতম একটি দিক। বিশেষ করে মার্কিন কর্মকর্তারা যাদের আলোচনা প্রক্রিয়ায় ‘বাধা’ হিসেবে মনে করছেন, তাদের ওপর হামলার প্রস্তাব এসেছে। এর মধ্যে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি) প্রধান আহমাদ ওয়াহিদির নামও রয়েছে। 

গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, ইরানের প্রায় অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এবং হাজার হাজার ড্রোন এখনো অক্ষত আছে। যুদ্ধবিরতি চলাকালীন তেহরান এই সামরিক সরঞ্জামগুলো নতুন কৌশলগত অবস্থানে সরিয়ে নিয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।

ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই হুমকি দিয়েছিলেন যে ইরান আলোচনায় না এলে তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং জ্বালানি স্থাপনাগুলো ধ্বংস করে দেয়া হবে। সামরিক পরিকল্পনাবিদদের টেবিলে সেই বিকল্পও সক্রিয় আছে। তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, বেসামরিক অবকাঠামোতে এ ধরনের হামলা যুদ্ধের এক বিতর্কিত ও ভয়াবহ বিস্তৃতি ঘটাবে।

মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে ১৯টি মার্কিন জাহাজ এবং ভারত মহাসাগরে আরও ৭টি জাহাজ মোতায়েন রয়েছে। এর মধ্যে দুটি বিমানবাহী রণতরীও আছে। গত ১৩ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া নৌ-অবরোধের অংশ হিসেবে এখন পর্যন্ত ৩৩টি জাহাজকে ফিরিয়ে দিয়েছে মার্কিন বাহিনী। সর্বশেষ গত বুধবার রাতে ভারত মহাসাগরে একটি ‘রাষ্ট্রহীন’ তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করেছে মার্কিন নৌবাহিনী।

ট্রাম্প অবশ্য সরাসরি যুদ্ধ শুরুর চেয়ে কূটনৈতিক সমাধানকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন বলে তার ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানাচ্ছে। তবে তিনি ইরানের ওপর চাপের মাত্রা কমাতে নারাজ। 





Loading...
Loading...


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy