প্রকাশ: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩০ পিএম (ভিজিট : ৪৮)

X
দেশে ডেনমার্কের প্রযুক্তিতে আধুনিক ইনসুলিন কার্ট্রিজ উৎপাদন শুরু
দেশে ডেনমার্কের প্রযুক্তিতে আধুনিক ইনসুলিন কার্ট্রিজ উৎপাদন শুরু
এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড এবং নভো নরডিস্ক বাংলাদেশ যৌথভাবে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আধুনিক ইনসুলিন কার্ট্রিজ (পেনফিল) স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছে। ডেনমার্ক থেকে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে এই চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেল-এ আয়োজিত ‘সাবাশ বাংলাদেশ: ডেনমার্ক থেকে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে আধুনিক ইনসুলিনের প্রাপ্যতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ইনসুলিন কার্ট্রিজের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশে ইনসুলিন সরবরাহে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে নভো নরডিস্ক, যারা এতদিন নভোমিক্স ও নভোর্যাপিড-সহ আধুনিক ইনসুলিন ডেনমার্ক থেকে আমদানি করতো। নতুন ব্যবস্থার আওতায় একই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এসব ইনসুলিন কার্ট্রিজ এখন দেশেই উৎপাদন করা হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগের ফলে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ইনসুলিনের প্রাপ্যতা বাড়বে এবং তুলনামূলকভাবে কম খরচে তা পাওয়া যাবে। প্রথমবারের মতো দেশে প্রিমিক্স ও দ্রুত কার্যকর আধুনিক ইনসুলিন কার্ট্রিজ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী উৎপাদন করা হবে। উৎপাদিত প্রতিটি ব্যাচের গুণগত মান ডেনমার্কে যাচাই করা হবে, যাতে বৈশ্বিক মান অক্ষুণ্ণ থাকে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, এই উদ্যোগ দেশের বায়োফার্মাসিউটিক্যাল উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। এর মাধ্যমে জীবনরক্ষাকারী ওষুধের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যখাতে স্বনির্ভরতা অর্জনে সহায়তা করবে।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. শামীম হায়দার বলেন, জীবনরক্ষাকারী ওষুধের ক্ষেত্রে গুণমান, নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে ইনসুলিনের মতো জটিল বায়োলজিক ওষুধের ক্ষেত্রে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার বলেন, স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে ডেনমার্ক ও বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব শক্তিশালী। এই প্রযুক্তি হস্তান্তর উদ্যোগ মানসম্মত ডায়াবেটিস চিকিৎসা সহজলভ্য করার পাশাপাশি দেশের বায়োম্যানুফ্যাকচারিং সক্ষমতা বাড়াবে।