সাবেক জাতীয় ক্রিকেটারদের জন্য মিরপুরের গ্যালারিতে লাউঞ্জ

ক্রীড়া প্রতিবেদক

খেলাধুলা

বোর্ড সভা শেষ করে মাঠে নেমে পূর্ব গ্যালারির দিকে এগিয়ে গেলেন তামিম ইকবাল। সভাপতির সঙ্গী তখন অ্যাডহক কমিটির

2026-05-05T20:20:42+00:00
2026-05-05T20:20:42+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
সাবেক জাতীয় ক্রিকেটারদের জন্য মিরপুরের গ্যালারিতে লাউঞ্জ
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৮:২০ পিএম   (ভিজিট : ৩৭)
গ্যালারির এই অংশেই হবে লাউঞ্জ।
X

গ্যালারির এই অংশেই হবে লাউঞ্জ।

বোর্ড সভা শেষ করে মাঠে নেমে পূর্ব গ্যালারির দিকে এগিয়ে গেলেন তামিম ইকবাল। সভাপতির সঙ্গী তখন অ্যাডহক কমিটির সদস্য ফাহিম সিনহা। গ্যালারির কাছে গিয়ে আঙুল ইশারায় দেখিয়ে কিছু বললেন দুজন। ম্যানুয়াল স্কোরকার্ডের পাশে গ্যালারির ওই অংশে তখন চলছে কর্মযজ্ঞ। সেখান থেকে সরানো হচ্ছিল চেয়ার। কারণটা একটু পরেই পরিষ্কার করলেন তামিম।

গ্যালারির ওই অংশের চেয়ার সরিয়ে সেখানে তৈরি করা হচ্ছে বিশেষ লাউঞ্জ। যেটি নিবেদিত থাকবে শুধ্ইু সাবেক জাতীয় ক্রিকেটারদের জন্য। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে পরিকল্পনার বিস্তারিত খোলাসা করলেন তামিম। লাউঞ্জের সামনে থাকবে নান্দনিক ব্যালকনি। ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াবের অফিসও থাকবে সেখানেই।

“আমাদের জাতীয় ক্রিকেটার যারা ছিলেন, ১৭০-১৮০ জন ক্রিকেটার যারা খেলেছেন দেশের হয়ে, তাদের জন্য একটা সুন্দর লাউঞ্জ বানানো হবে। সামনে যে সিটগুলো আছে, মাঝখানে যে ডিভাইডার আছে, এই সিটগুলোকে নিয়ে সংস্কার করে এখানে একটা সুন্দর ব্যালকনি হবে। বিশ্বের বিভিন্ন বড় বড় স্টেডিয়ামে যেমন ব্যালকনি থাকে, ব্যালকনিতে এসে বসে চা-কফি খায়, ওই সিস্টেম থাকবে। ভেতরে লাউঞ্জ থাকবে ২৫০ থেকে ৩০০ জনের বসার জন্য। এখানে কোয়াবের একটা নিজস্ব অফিসও থাকবে।”

এই লাউঞ্জ বানানোর পেছনের ভাবনাও তুলে ধরলেন সাবেক এই অধিনায়ক। সম্প্রতি জাতীয় অধিনায়কদের সম্মান জানিয়ে ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ দেওয়ার পর সাবেক ক্রিকেটারদের কেউ কেউ সেটির সমালোচনা করে প্রশ্ন তুলেছিলেন, শুধু অধিনায়কদের বাড়তি গুরুত্ব কেন। সেই প্রসঙ্গও তুললেন তামিম।

“আমি যে কথাটা বলি, এটা জাতীয় ক্রিকেটারদের ‘হোম’, সেই হোমের জন্য তাদের তো একটা জায়গাও থাকতে হবে। তাদের তো কোনো জায়গা নেই। এই জায়গায় আজীবন তাদের জন্য এই জিনিসটা করে দেওয়া হচ্ছে। কয়েকটা কার্ড দিয়ে দেওয়া হবে প্রবেশের জন্য, উনারা ছাড়া কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না।”

“অধিনায়কদের জন্য ক্যাপ্টেনস কার্ড করেছি, জাতীয় ক্রিকেটার্সদের জন্যও এই জিনিসটা দিয়ে শুরু করলাম। আমরা দেখেছি যে অনেকেই নাখোশ ছিলেন, কিন্তু আমাকে তো একটু সময় দিতে হবে জিনিসগুলো করার জন্য। আমি মাত্র ২০-২২-২৩ দিন হয়েছে। একটু সময় না দিলে তাহলে তো হবে না।”

শুধু খেলার সময়ই নয়, যে কোনো দিন সাবেক ক্রিকেটাররা সেই লাউঞ্জে যেতে পারবেন সেখানে। দুই-তিন মাসের মধ্যে এটি তৈরি হবে বলে আশা তামিমের।
খ্যাতিমান ক্রিকেটারদের নামে বিভিন্ন মাঠে গ্যালারির বিভিন্ন অংশের নামকরণের দাবি উঠে আসছে দীর্ঘদিন ধরেই। বিশ্বের অনেক দেশেই অনেক মাঠে এই রীতি আছে। তামিম জানালেন, তার নেতৃত্বাধীন বোর্ডও এটি করতে খুবই আগ্রহী। আপাতত তারা মানদণ্ড চূড়ান্ত করা নিয়ে ভাবছেন।

“এটা হওয়া উচিত। তবে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, কাদেরকে সম্মান দিচ্ছি। কারণ একজনের নামে দিয়ে দিলাম, তখন আরেকজন কষ্ট পেতে পারে। কিংবা যখন যার নাম দেই না কেন, একটা অবজেকশন থাকতেই পারে। এটা নিয়ে আমরা পরিকল্পনা করছি যে, কোন ফরম্যাটে যাব। কারও নিজ শহরে স্থানীয় ক্রিকেটারদের নাম দেব নাকি জাতীয় স্টেডিয়ামে জাতীয় ক্রিকেটারদের নাম দেব। আবার কিছু সংগঠক আছেন, তাদের বাংলাদেশ ক্রিকেটে বিশাল অবদান। তাদেরও নাম থাকা উচিত আমি মনে করি।”

“কারও (ব্যাটিং) অ্যাভারেজ ৫০ থাকতে হবে, এটা মানদণ্ড নয়। ওই সময়ে যারা খেলেছেন, তাদের যদি গড় দশও হয়ে থাকে, ওই সময়ের জন্য অনেক বড় ছিল। যাদের অবদান আছে, পরিসংখ্যান যেমনই হোক, তাদেরকে সম্মান করা আমাদের দায়িত্ব। আমরা ওই জিনিসটা খুব সতর্কভাবে চিন্তা করে কাকে কোন জায়গায় আমরা নাম দিতে পারি, এই জিনিসটা আশা করি করে দিয়ে যাব।”

তামিমের এই অ্যাড-হক কমিটির মেয়াদে অবশ্য এই নামকরণ হচ্ছে না। আগামী মাসের নির্বাচনে জিতে আসতে পারলে এটি করার আশাবাদ জানিয়ে রাখলেন দেশের সফলতম ওপেনার।

“পরিকল্পনা করছি। অ্যাড-হক কমিটিতে থাকার সময় পারব কি না, জানি না। নির্বাচিক কমিটি যখন আসবেৃ আমরা যদি নির্বাচিত হই, এটা করার আমার খুব ইচ্ছা। আমার মনে হয় যে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের এটা প্রাপ্য।”








Loading...
Loading...


খেলাধুলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy