অ্যাটলেটিকোকে কাঁদিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে আর্সেনাল

ক্রীড়া ডেস্ক

খেলাধুলা

লড়াই হলো জমজমাট, যদিও খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে পারল না কোনো দল। স্নায়ুচাপ সামলে একবার বল জালে

2026-05-06T21:15:17+00:00
2026-05-06T21:15:17+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
অ্যাটলেটিকোকে কাঁদিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে আর্সেনাল
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৯:১৫ পিএম   (ভিজিট : ৭৯)
: উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে জয়ের পর আর্সেনালের ফুটবলারদের উচ্ছ্বাস-ইন্টারনেট
X

: উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে জয়ের পর আর্সেনালের ফুটবলারদের উচ্ছ্বাস-ইন্টারনেট

লড়াই হলো জমজমাট, যদিও খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে পারল না কোনো দল। স্নায়ুচাপ সামলে একবার বল জালে পাঠাতে পারলেন বুকায়ো সাকা। শেষ পর্যন্ত ওই ব্যবধান ধরে রেখে, অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠল আর্সেনাল।

এমিরেটস স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার রাতে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে ১-০ গোলে জিতেছে স্বাগতিকরা। প্রথম লেগ ১-১ ড্র হওয়ায়, দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেল মিকেল আর্তেতার দল আর্সেনাল।

ম্যাচের প্রথমার্ধে পজেশন রাখায় ও আক্রমণে আর্সেনাল একচেটিয়া আধিপত্য করলেও, দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে পাল্টে যায় চিত্র। তবে পুরো ম্যাচে গোলের জন্য শটের হিসেবে কোনো পক্ষই খুব বেশি দাপট দেখাতে পারেনি; আর্সেনাল ১৩টি আর অ্যাটলেটিকো ৯টি শট নিতে পারে, দুই দলেরই দুটি করে শট লক্ষ্যে ছিল।

প্রতিযোগিতাটির ইতিহাসে দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠল আর্সেনাল। প্রথমবার তারা শিরোপা লড়াইয়ের মঞ্চে উঠতে পেরেছিল ২০০৬ সালে, সেবার বার্সেলোনার বিপক্ষে হেরে স্বপ্ন ভেঙেছিল তাদের। বেশিরভাগ সময় বল পায়ে রাখলেও, নিজেদের গুছিয়ে নিতে শুরুতে একটু সময় লাগে আর্সেনালের। এরপর টানা কয়েকটি ভালো আক্রমণ করে তারা, কিন্তু প্রতিবারই শেষটায় গড়বড় হয়ে যায়।

বিপরীতে, অ্যাটলেটিকো কৌশল নেয় ঘর সামলে প্রতি-আক্রমণ শাণানোর এবং রক্ষণ জমাট রেখে কাজটা দারুণভাবেই করতে থাকে দলটি। তাদের প্রতিরোধ ভেঙে যায় প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে, আর্সেনাল সমর্থকদের গর্জন বেড়ে হয় দ্বিগুণ। ডি-বক্সে ডান দিকে বল ধরে সময় নিয়ে অন্যপাশে ক্রস বাড়ান ভিক্তর ইয়োকেরেশ, সেখানে অরক্ষিত লেয়ান্ড্রো ট্রসাড দেখে শুনে শট নেন, যা ঝাঁপিয়ে আটকে দেন গোলরক্ষক; কিন্তু দলকে তিনি বিপদমুক্ত করতে পারেননি। সামনেই ছিলেন সাকা, তড়িৎ টোকায় আলগা বল জালে পাঠান ইংলিশ তারকা।

প্রথম পাঁচটি শট লক্ষ্যভ্রষ্ট নেওয়ার পর, এই দুটি প্রচেষ্টাই লক্ষ্যে রাখতে পারে আর্সেনাল, তাতেই ভেঙে যায় সফরকারীদের প্রতিরোধ। প্রথমার্ধে মাত্র দুটি লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নিতে পারা অ্যাটলেটিকো ৫১তম মিনিটে সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি। সতীর্থের লম্বা থ্রু পাস পেয়ে ডি-বক্সে প্রথম টোকায় গোলরক্ষককে কাটিয়ে ফেলেন জুলিয়ানো সিমেওনে, সামনে ফাঁকা জাল; কিন্তু শট নিতে দেরি করে ফেলেন তিনি। মুহূর্তের ওই সুযোগেই আর্সেনালকে বাঁচান গাব্রিয়েল মাগালিয়াইস।

অ্যাটলেটিকো শিবিরে অবশ্য সিমেওনেকে ফাউল করার অভিযোগে পেনাল্টির দাবি ওঠে, যদিও রেফারির সাড়া মেলেনি। কিছুক্ষণ পর আবার তারা স্বাগতিক শিবিরে ভীতি ছড়ায়, এবার গ্রিজমানের শট ঝাঁপিয়ে আটকান ডেভিড রায়া। প্রতিপক্ষের টানা কয়েকটি আক্রমণের পর, ৬৬তম মিনিটে দারুণ এক পাল্টা আক্রমণ শাণায় আর্সেনাল। বাঁ দিক থেকে চমৎকার ক্রসে ডি-বক্সে ছুটে যাওয়া ইয়োকেরেশকে খুঁজে নেন পিয়েরো ইনকাপিয়ে; কিন্তু সুইডিশ ফরোয়ার্ডের প্রথম ছোঁয়ার শট ক্রসবারের একটু ওপর দিয়ে চলে যায়।

সময় ফুরিয়ে আসছিল, তাতে হতাশা বাড়ছিল অ্যাটলেটিকো শিবিরে। দলটির কয়েকজন সমর্থকের চোখে চিকচিক করছিল অশ্রু, চেহারায় ছিটকে পড়ার শঙ্কা। ৮৩তম মিনিটে সেই দুর্ভাবনা মুছে দেওয়ার পরিষ্কার সুযোগ পান আলেকসান্দার সরলথ। অনেক ম্যাচে বদলি নেমে ব্যবধান গড়ে দেওয়া এই ফরোয়ার্ড এবার ডি-বক্সে ফাঁকায় বল পেয়েও ঠিকঠাক শট নিতে পারেননি।

বাকি সময়ে অ্যাটলেটিকোর আর কেউ পারেইনি কোনো সম্ভাবনা জাগাতে। সবশেষ ২০১৬ সালে প্রতিযোগিতাটির শিরোপা লড়াইয়ে খেলা দলটির চতুর্থ ফাইনালে ওঠার অপেক্ষা বাড়ল আরও। এবারের ফাইনাল মাঠে গড়াবে আগামী ৩০ মে, হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে। সেখানে আর্সেনালের প্রতিপক্ষ বায়ার্ন মিউনিখ অথবা পিএসজি।







Loading...
Loading...


খেলাধুলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy