প্রকাশ: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৭:০৯ পিএম (ভিজিট : ৪১)

X
জমি ফিরে পেল প্রকৃত মালিক
শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে দীর্ঘ এক যুগ পর জমির মালিকানা ফিরে পেলেন প্রকৃত মালিক। স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার করে উপজেলার মহিষকান্দি মৌজায়এস এ ২ খতিয়ানে ৭২৩ নং দাগের ৫ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখল করে রেখেছিলেন মো. রজব আলী খানের ছেলে মোতাহার হোসেন খান ও কেরামত আলী খানের ছেলে সিদ্দিক খান। আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে বিচার সালিশের মাধ্যমে প্রকৃত মালিক জমিটি ফিরে পাওয়ার কথা থাকলেও ফেরত পাইনি।
শনিবার সকালে তার দখলকৃত জমিতে বাউন্ডারি দিয়েছেন প্রকৃত মালিক আব্দুল জলিল সরদার।
জেলা পরিষদ থেকে লিজ নিয়ে জমিটির প্রকৃত মালিক হলেন শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলার দাশেরজঙ্গল গ্রামের ছমির উদ্দিন সরদারের ছেলে মো. জলিল সরদার। তার মোট জমির পরিমান ০৪.৫৯ শতাংশ জমি ছিল।
জানা গেছে, গোসাইরহাটের মহিষকান্দির মৌজায় এস এ ০২ খতিয়ানের৭২৩ নং দাগের ৫ শতাংশ জমির প্রকৃত মালিক মো. জলিল সরদার। তবে ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলে দেওয়ান মো. শাহজাহান এর অনুসারী পরিচয় দিয়ে মোতাহার খান ও সিদ্দিক খান এই জমিটি জোরপূর্বক দখল করে নেয়। দীর্ঘ ১৭ বছর পর আওয়ামী লীগ সরকার সরকারের পতন হলে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি নিয়ে বিচার সালিশ করে দখলকৃত জমিটি ফিরে পায় প্রকৃত মালিক।
ছেলে নোমান বলেন, আমার বাবা জেলা পরিষদ থেকে লিজ নেওয়া জমি জোরপূর্বক ৫ শতাংশ জমি দীর্ঘদিন ধরে দখল করে রেখেছিল। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সেই জায়গা পুনরায় মেপে কিছু আংশিক জমি ফিরে পেয়েছি আরো কিছু রয়েগেছে বর্ষা শেষ হলে বাকি জমিটা দিবে বলেছে৷
মো. মকবুল হোসেন ঢালী, ইউনুস হোসেন ঢালী, মোবারক হোসেন কবিরাজ সোহেল প্যাদা বলেন, জমি নিয়ে মো. মোতাহার হোসেন খান, সিদ্দিক খান ও জমির মালিক মো. জলিল সরদার এর মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। পরে বিষয়টি সমাধানের জন্য উভয়পক্ষের লোকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে বিচার শালিস বসে। উভয়পক্ষের কাগজপত্র দেখে সঠিক সমাধান দেয়া হয়েছে। এ থেকে ওই জমি নিয়ে কোনো পক্ষের মধ্যে বিরোধ থাকবে না৷