শাহজাদপুরে ব্রি ধান-১০৮ এর বাম্পার ফলনের আশা

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সারাবাংলা

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে ব্রি ধান-১০৮ জাতের ধানে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, উন্নত

2026-05-11T16:59:28+00:00
2026-05-11T16:59:28+00:00
বৃহস্পতিবার ৬ আগস্ট ২০২৬ ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার ৬ আগস্ট ২০২৬
   
শাহজাদপুরে ব্রি ধান-১০৮ এর বাম্পার ফলনের আশা
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৪:৫৯ পিএম   (ভিজিট : ৭৪)
ব্রি ধান-১০৮ এর বাম্পার ফলনের আশা
X

ব্রি ধান-১০৮ এর বাম্পার ফলনের আশা

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে ব্রি ধান-১০৮ জাতের ধানে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, উন্নত জাতের বীজ ও কৃষি বিভাগের পরামর্শে এবার ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। মাঠে মাঠে এখন ধান কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা।

উপজেলার রুপবাটি ইউনিয়নের বড় বিন্যাদাইর এলাকায় কৃষক শামসুল বাগচীর জমিতে নমুনা শস্য কর্তনের মাধ্যমে প্রতি হেক্টরে ৮ দশমিক ৩০ মেট্রিক টন ফলন পাওয়া গেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার ফারজানা ইয়াছমিনের উপস্থিতিতে এ ক্রপ কাটিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

স্থানীয় কৃষকেরা জানান, এবার ধানের শীষ ভালো এসেছে। রোগবালাইও তুলনামূলক কম হওয়ায় উৎপাদন নিয়ে তাঁরা আশাবাদী। অনেক কৃষক ইতিমধ্যে ধান কাটা শুরু করেছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে শাহজাদপুরে হাইব্রিড ধানের আবাদ হয়েছে ২ হাজার ৮০৫ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ৪৫ হেক্টর জমির ধান কর্তন সম্পন্ন হয়েছে।

এছাড়া উফশী জাতের ধানের আবাদ হয়েছে ১৯ হাজার ৫৯০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে ২৪০ হেক্টর জমির ধান ইতোমধ্যে কাটা হয়েছে। অন্যদিকে স্থানীয় জাতের ধানের আবাদ হয়েছে ২৯০ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকদের সহায়তার লক্ষ্যে এবার প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ১ হাজার ৮০০ জন কৃষককে বীজ ও সার সহায়তা দেওয়া হয়েছে। প্রতিজন কৃষক পেয়েছেন ৫ কেজি ধান বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি (পটাশ) সার।
 
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, চলতি মৌসুমে কৃষকদের ৮০ শতাংশ ধান পাকলেই দ্রুত কর্তনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যাতে বৈরী আবহাওয়া বা আকস্মিক বৃষ্টিপাতের কারণে কোনো ক্ষতির আশঙ্কা না থাকে। ধান কাটতে গিয়ে কোনো কৃষকের শ্রমিক বা কম্বাইন হারভেস্টারের প্রয়োজন হলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে কৃষকদের সহযোগিতায় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক কাজ করছেন।

তিনি আরও বলেন, নগড়ডালা ও রতনকান্তি এলাকায় অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণের বিষয়ে মাননীয় প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করা হলে তিনি বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে দ্রুত কাজ শুরু হওয়ায় ৯টি ইউনিয়নের ফসলি জমি পানিতে ডুবে যাওয়ার ঝুঁকি থেকে রক্ষা পেয়েছে।

অনুকূল আবহাওয়া বজায় থাকলে চলতি মৌসুমে কৃষকেরা নির্বিঘ্নে ধান কাটতে পারবেন এবং ভালো উৎপাদনের মাধ্যমে আর্থিকভাবে লাভবান হবেন।





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : bulletinadbd@gmail.com
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy