প্রকাশ: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৯:২৯ পিএম (ভিজিট : ৮৭)

X
ভারতের অগ্নি মিসাইল
দেশের আকাশে হঠাৎ রহস্যময় আলোর ঝলকানি। গেল শনিবার কক্সবাজার, বরগুনা, মাদারীপুরসহ বিভিন্ন এলাকার আকাশে দেখা যায় এই আলো। কেউ বলেন এটি উল্কা পিণ্ড, আবার কেউবা বলেন ভিনগ্রহের ইউএফও। তবে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে এই রহস্যময় আলোর পর্দা ওঠালো প্রতিবেশী দেশ ভারত।
দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শুক্রবার ওড়িশার এপিজে আবুল কালাম আজাদ দ্বীপ থেকে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ চালানো হয়। ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম দেয়া হয় অগ্নি।
ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ডিআরডিও ও দেশটির বিমানবাহিনী যৌথভাবে এই পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ পরিচালনা করে। এটি ভারতের প্রথম নিজস্ব মডুলার রেঞ্জ এক্সটেনশন কিট, যা সাধারণ বোমাকে নিখুঁতভাবে লক্ষ্যভেদী অস্ত্রে পরিণত করতে পারে।
এতে অত্যাধুনিক এমআইআরভি প্রযুক্তির ব্যবহার হয়েছে। এটি এমন এক প্রযুক্তি যার মাধ্যমে একটিমাত্র ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে একসঙ্গে একাধিক পারমাণবিক বোমা বহন করা যায়। যেটি ভিন্ন ভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের পরীক্ষা সফল হওয়ায়, ডিআরডিও ও ভারতীয় বিমানবাহিনীকে অভিনন্দন জানান দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।
রাজনাথ সিং বলেন, বর্ধমান নিরাপত্তা হুমকির প্রেক্ষাপটে দেশের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিতে এটি অসাধারণ সক্ষমতা যোগ করবে। আমাদের বিমানবাহিনী ও এর সাথে সংশ্লিষ্ট সংস্থা গুলোকে এই সফলতার জন্য অভিনন্দন।
তবে এমন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা এটাই প্রথম নয়। এর আগে ২০২৪ সালে অগ্নি-৫ এর পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করে ভারত। অগ্নি-৫, পাঁচ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র। যা চীনসহ এশিয়ার গভীর অঞ্চল, ইউরোপের কিছু অংশ এমনকি আফ্রিকার কিছু এলাকা পর্যন্ত পথ অতিক্রম করতে পারে।