প্রকাশ: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৬:৪৯ পিএম (ভিজিট : ৩৯১)

X
নবম পে-স্কেল
দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে নতুন তথ্য পাওয়া গেছে। নতুন বেতন কাঠামোর একটি খসড়া প্রস্তাব নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও সরকার এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রজ্ঞাপন জারি করেনি, তবে প্রস্তাবিত তালিকায় বেতন প্রায় দ্বিগুণ করার সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় বেতন স্কেল কার্যকর হয়েছিল। এরপর থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত মোট আটবার নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি পাঁচ বছর অন্তর নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নের কথা থাকলেও করোনা মহামারি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা এবং সরকারের ওপর রাজস্ব চাপের কারণে নবম পে-স্কেল দীর্ঘ সময় পিছিয়ে যায়।
সূত্রমতে, ২০২৬ সালে নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি এখন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পর্যালোচনার চূড়ান্ত ধাপে রয়েছে। ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষ কমিটি বিভিন্ন সুপারিশ বিশ্লেষণ করে একটি সমন্বিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করছে।
খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, বিভিন্ন গ্রেডের বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত কিছু প্রধান গ্রেডের বেতনের চিত্র নিচে দেওয়া হলো-
গ্রেড । সম্ভাব্য বেতন (টাকা)
১ম গ্রেড
১,৬০,০০০ (নির্ধারিত)
২য় গ্রেড
১,৩২,০০০ - ১,৫৩,০০০
৩য় গ্রেড
১,১৩,০০০ - ১,৪৮,৮০০
৫ম গ্রেড
৮৬,০০০ - ১,৩৯,৭০০
৯ম গ্রেড
৪৫,১০০ - ১,০৮,৮০০
১০ম গ্রেড
৩২,০০০ - ৭৭,৩০০
১৬তম গ্রেড
(উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি প্রস্তাবিত)
২০তম গ্রেড
(সর্বনিম্ন ধাপেও বড় পরিবর্তন)
প্রস্তাবিত তালিকায় দেখা গেছে, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি নিম্ন ধাপে কর্মরত কর্মচারীদের বেতনও বর্তমানের তুলনায় অনেক বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এটি এখনও প্রাথমিক প্রস্তাবনা মাত্র।
জাতীয় রাজস্ব আদায় ও মুদ্রাস্ফীতির পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার যখন চূড়ান্ত গেজেট বা প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করবে, তখনই কেবল নবম পে-স্কেলের প্রকৃত বেতন কাঠামো ও কার্যকরের তারিখ নিশ্চিত হওয়া যাবে।