
X
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বিএনপি সব সময় ভালো কিছুর সাথে, দেশের মঙ্গলের সাথে, মানুষের সাথে থাকতে অভ্যস্ত। তিনি বলেন, এজন্য সবার আগে বাংলাদেশ, মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রতিটি সেক্টরে উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছেন। আমাদের মূল লক্ষ্য মানুষের মূল্যবোধ, মানুষের যে সম্মান রাইট প্রিভিলেজ দিতে হবে।
তিনি রবিবার বিকেলে রাজধানীর শ্যামলীতে এসওএস চিলড্রেন ভিলেজেস এর ৫৫ বছর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজেস বাংলাদেশ গত ৫৫ বছর ধরে আমাদের দেশের সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও পরিবারগুলোর জন্য আশা ও সহানুভূতির প্রতীক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। বাচ্চাদের গড়ে ওঠার জন্য এসওএস শিশু পল্লী একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠান। পরিবার-ভিত্তিক যত্ন এবং শিশু সুরক্ষায় সংস্থাটির এই অবিচল প্রতিশ্রুতির কথা বাংলাদেশ সরকার গভীরভাবে মূল্যায়ন করে।
বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, এমপি বলেন, যৌথ পরিবারের বাইরে মায়া, মমতা, স্নেহ, আদর যত্নে ভালোবাসা দিয়ে বড় হওয়া যায় সেরকমই একটি প্রতিষ্ঠান এস ও এস চিলড্রেনস ভিলেজেস প্রতিষ্ঠান। প্রকৃত জাতীয় উন্নয়ন তখনই সম্ভব যখন আমাদের সবচেয়ে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের বিকশিত হওয়ার সুদৃঢ় ভিত্তি গড়ে দেওয়া যায়। সুবিধাবঞ্চিত তরুণদের স্বাধীন ও দেশের অবদানকারী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এমন টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি সেবার মডেল তৈরি করার জন্য আমি এই সংস্থাকে সাধুবাদ জানাই। তিনি বলেন, সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে আমাদের মন মানসিকতার পরিবর্তন এসেছে। এদেশের মানুষের উন্নয়নে যে কোন পরিবর্তনের জন্য সরকার আপনাদের পাশে আছে।
বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় ব্যারিস্টার জাইমা রহমান বলেন,এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজেস বাংলাদেশ আজ অত্যন্ত গর্বের সাথে এর প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন করেছে। এর মাধ্যমে দেশজুড়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশু, তরুণ ও পরিবারের সেবা, যত্ন, সুরক্ষা এবং ক্ষমতায়নে সংস্থাটির সুদীর্ঘ ৫৫ বছরের গৌরবময় পথচলা আজ পূর্ণ হলো। তিনি এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজেস বাংলাদেশ এ প্রতিষ্ঠানে পাশে থাকবেন এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
স্বাগত বক্তব্যে এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজেস বাংলাদেশের ন্যাশনাল ডিরেক্টর ড. মো. এনামুল হক আগামী দিনের পথচলার ওপর আলোকপাত করে বলেন: কয়েক দশক ধরে আমরা অস্বচ্ছল পরিবারগুলোর সবচেয়ে সংকটাপন্ন মুহূর্তে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি—শুধু আশ্রয় নয়, বরং ভালোবাসা, মর্যাদা ও সুযোগ নিশ্চিত করেছি। এই বার্ষিকী কেবল অতীতের উদযাপন নয়; এটি আমাদের দায়িত্বে থাকা প্রতিটি শিশুর জন্য আরও শক্তিশালী ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার এক নতুন অঙ্গীকার।
অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল আমন্ত্রিত বিশিষ্ট অতিথিদের দ্বারা “৫৫ বছর” উদযাপনের স্মারক লোগো উন্মোচন। পাশাপাশি ছিল বর্ণিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং সম্মাননা ক্রেস্ট হস্তান্তর পর্ব।