প্রকাশ: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৯:৫৭ এএম (ভিজিট : ১৮১)

X
ফাইল ছবি
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য পে কমিশনের প্রস্তাব মতো পে-স্কেল বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। তবে বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি কর্মচারীদের জন্য পে-স্কেল তিন ধাপে বাস্তবায়নের বিষয় নীতিগত সম্মতি দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে বিভক্তি দেখা দিয়েছে।
এক গ্রুপ সরকারের এই সিদ্ধান্তে সায় দিলেও আরেকটি গ্রুপ বলছে ভিন্ন কথা। তাদের দাবি, পে স্কেল পুরোটাই এক ধাপে বাস্তবায়নের গেজেট প্রকাশ করতে হবে। এটি করা না হলে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এতে সুবিধার চেয়ে সরকারি চাকুরেদের অসুবিধাই বেশি হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রিসভা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সরকার আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে স্কেল (নবম পে স্কেল) বাস্তবায়নের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুরো প্রক্রিয়াটি তিন ধাপে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
প্রথম ধাপে (২০২৬-২৭ অর্থবছর) নতুন বেতন কাঠামোর অধীন বর্ধিত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ কার্যকর করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে (২০২৭-২৮ অর্থবছর) মূল বেতনের বাকি ৫০ শতাংশ কার্যকর করা হবে।
তৃতীয় ধাপ—সব শেষে মূল বেতনের সঙ্গে বিভিন্ন আনুষঙ্গিক ভাতা এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধা পুরোপুরি সমন্বয় করা হবে।
প্রস্তাবিত বেতন কাঠামোর উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে—বর্তমানে বিদ্যমান ২০ গ্রেডের কাঠামোটিই বহাল থাকছে। প্রস্তাবিত কাঠামোতে সর্বনিম্ন মূল বেতন আট হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।
এর ফলে সার্বিকভাবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।