প্রকাশ: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৮:৪৯ পিএম (ভিজিট : ৪২)

X
লিটন কুমার দাস ও নাজমুল হোসেন শান্ত
প্রথম ইনিংসে ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর টেল এন্ডারদের নিয়ে ১৬২ রান যোগ করেন লিটন দাস। প্রবল চাপে খেলেন ১২৬ রানের ইনিংস। আর এই ইনিংসে চড়ে ২৭৮ রান করতে পারে বাংলাদেশ, প্রথম ইনিংসে লিড নেয় ৪৬ রানের। দ্বিতীয় ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরির পাশাপাশি ৬৯ রানের ইনিংস খেলেন লিটন।
উইকেটের পেছনে পুরো সিরিজেই তাকে দেখা গেছে দুরন্ত। পুরো টেস্ট সিরিজ জুড়ে নজরকাড়া পারফরম্যান্স করে অধিনায়ক শান্তর প্রশংসা পেলেন লিটন। দারুন পারফরম্যান্সের পর সিলেট টেস্টে লিটন হয়েছেন ম্যাচ সেরা। সংবাদ সম্মেলনে এসে সতীর্থকের প্রশংসায়ও ভাসালেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, ‘খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, আশা করছিলাম প্রথম দিনের প্রশ্নটা কেউ করবে।
লিটন আউটস্ট্যান্ডিং ইনিংস খেলেছে, যাকে আমি বলব ওয়ান অফ হিজ বেস্ট ইনিংস। ক্রেডিট তাইজুল ভাই, তাসকিন, শরিফুল, রানা তাদেরকে অবশ্যই দিতে হবে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য।’
দওই জায়গায় লিটন ভাই যেভাবে দায়িত্ব নিয়েছে, এটাই আসলে একটা বড় দল হওয়ার লক্ষ্যে যে বাংলাদেশ এগুচ্ছে তার প্রমাণ। ড্রেসিং রুমে বিশ্বাসটা সবার ছিল যে এখান থেকে তাইজুল ভাই একটা সাপোর্ট দিবে এবং লিটন রান করতে থাকবে। লিটনও মাঠ থেকে মেসেজ পাঠিয়েছিল একবার আমার কাছে আসলে কোন এপ্রোচে খেলবে। খুব ভালো একটা কমিউনিকেশন হচ্ছিল। আমি বলব যে এই টেস্ট ম্যাচে এই যে আমরা ম্যাচটা জিতলাম আমি বলব যে সবথেকে বড় কৃতিত্ব লিটনের ইনিংস। অন্যথায় আমরা ওই প্রথম ইনিংসে অনেক পেছনে পড়ে যেতাম।’
পাকিস্তান সফরে গিয়েও দাপট দেখিয়ে টেস্ট জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার বাংলাদেশ সফরে এসেও একই পরিণতি হলো সফরকারীদের। শান্তর চোখে এখন পর্যন্ত এই চারটি জয় স্পেশাল, ‘এখন পর্যন্ত অবশ্যই। তবে আমি মনে করি সামনে বাংলাদেশ আরও অনেক টেস্ট ম্যাচ খেলবে, সেখানে আরও ভালো ভালো অর্জন আসবে—এটাই প্রত্যাশা। সব মিলিয়ে আমি বলব, এই চারটি ম্যাচ আমাদের জন্য অনেক স্পেশাল। আমরা অনেক ভালো ক্রিকেট খেলেছি।’
শান্ত আরও যোগ করে বলেন, ‘তবে আমি সবসময় যেটা বলি, আমাদের টেস্ট দলটাকে ধীরে ধীরে গড়ে তুলতে হবে। এখনও অনেক জায়গায় উন্নতির সুযোগ আছে। সেসব জায়গা ঠিক করতে হবে। যখন আমরা দেশে এবং দেশের বাইরে ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলতে পারব, তখনই আমি বলব যে আমাদের দল আগের চেয়ে ভালো অবস্থানে যাচ্ছে।’