
X
মোহাম্মদ সালাউদ্দিন
পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সঙ্গে কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের কোচিং অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে। জাতীয় দলের দায়িত্ব শেষ করে এবার তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটে কাজ করবেন বলে জানা গেছে।
দায়িত্ব শেষ হওয়ার প্রাক্কালে তিনি দলের অগ্রগতি, ভবিষ্যৎ লক্ষ্য এবং নিজের অবস্থান নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য করেছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক অগ্রগতি, দলের ভেতরের পরিবেশ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সালাউদ্দিন বলেন, বড় কোনো টুর্নামেন্টে এখনো সাফল্য না পাওয়ায় আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, ‘এটাতে স্যাটিসফাই থাকারও কোনো অবকাশ নাই। এখানে স্যাটিসফাই হওয়াও যাবে না। কারণ আমরা এখন পর্যন্ত মেজর কোনো টুর্নামেন্টে ভালো করি নাই।’
টেস্ট ক্রিকেটে উন্নতিই এখন প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে মনে করেন এই কোচ। তার মতে, ঘরের মাঠে হার এড়ানো এবং বিদেশের কঠিন সিরিজে অন্তত কিছু ম্যাচ জেতাই অগ্রগতির চাবিকাঠি। তিনি বলেন, ‘দেশের যতগুলো টেস্ট আছে সেগুলোতে আমরা যেন না হারি, এটাও আমাদের একটা ভালো লক্ষ্য হবে। আর বাইরে যদি দুই-একটা টেস্ট জিততে পারি, তাহলে টপ ফোরে শেষ করতে পারব। এটা অনেক বড় অ্যাচিভমেন্ট হবে।’
দলের সাম্প্রতিক উন্নতির পেছনে ধৈর্যের গুরুত্বও তুলে ধরেন সালাউদ্দিন। তার মতে, অভিজ্ঞ কয়েকজন ক্রিকেটার বিদায় নেওয়ার পর দলকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে সময় লেগেছে। ব্যক্তিগত ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে তিনি জানান, জাতীয় দল ছাড়লেও তিনি দেশের ক্রিকেটের সঙ্গেই থাকবেন।
তিনি বলেন, ‘ওরা এখানে ক্রিকেট খেলবে, আমি এখানে থাকব কাছাকাছিই থাকব, বেশি দূরে যাচ্ছি না তো। আর এটা মিস করারও তেমন কিছু না, হয়তো ড্রেসিংরুমের ভিতরটা মিস করতে হইতে পারেৃ পিছন থেকে সাপোর্ট করতে পারলেও যতটুকু পারি সাপোর্ট করব, না পারলে করব না।’
জাতীয় দলের কোচ হওয়া নিয়ে নিজের অবস্থানও পরিষ্কার করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আমি কোনোদিন বলি নাই যে, আমাকে ন্যাশনাল টিমের কোচ বানাইতেই হবে। আপনারা বানাইছেন, আপনারা দিছেন, আপনারা বের করছেন। এটা সমস্যা না। আমি যেখানে কাজ করে মজা পাব, সেই কাজটাই করব।’
তরুণ পেসার নাহিদ রানাকে নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন সালাউদ্দিন। সংক্ষিপ্ত মূল্যায়নে তিনি বলেন, ‘আপাতত ভালো করতেছে, ভবিষ্যতে আরও ভালো করার সুযোগ আছে।’