প্রকাশ: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৯:৩৭ পিএম (ভিজিট : ৪৪)

X
সংগৃহীত ছবি
ফুটবল মাঠে গোল হওয়ার আগে বলটি মাঠের সীমানা বা টাচলাইন অতিক্রম করেছিল কি না তা নিখুঁতভাবে নির্ধারণ করতে নতুন এক প্রযুক্তির অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। ২০২৬ বিশ্বকাপেই দেখা যাবে এই প্রযুক্তির ব্যবহার।
গত ফেব্রুয়ারিতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে অ্যাস্টন ভিলার একটি গোল বাতিল হওয়া নিয়ে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। বলটি আসলেই সীমানার বাইরে চলে গিয়েছিল কি না, তা সাধারণ ক্যামেরায় স্পষ্ট বোঝা যায়নি।
আর এই ধরনের বিতর্ক এড়াতেই ফিফা এবার নতুন এই প্রযুক্তি নিয়ে আসছে। গোললাইন প্রযুক্তির মতোই এই সিস্টেমেও একটি নিখুঁত ত্রিমাত্রিক অ্যানিমেশন তৈরি করা হবে, যা বলের একেবারে নিখুঁত অবস্থান ফুটিয়ে তুলবে।
একই সঙ্গে বলের ভেতরে থাকা বিশেষ চিপের মাধ্যমে এখন সহজেই শনাক্ত করা যাবে বলটিতে সর্বশেষ কোন খেলোয়াড়ের স্পর্শ লেগেছিল। এর ফলে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি তাদের নতুন ক্ষমতার অংশ হিসেবে এখন কর্নারের সিদ্ধান্তগুলোও শতভাগ সঠিকভাবে পরীক্ষা করার সুযোগ পাবেন।
এখানেই শেষ নয়, অফসাইডের ক্ষেত্রে ‘লাইন-অফ-সাইট’ বা গোলরক্ষকের দৃষ্টিসীমা বাধাগ্রস্ত হওয়ার সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত ও পরিষ্কার করার জন্য ফিফা তাদের ‘রিয়েল-টাইম থ্রিডি রিক্রিয়েশন’ প্রযুক্তির পরিধি আরও বাড়িয়েছে।
এর অধীনে এখন থেকে ভিএআর এবং টেলিভিশন দর্শক উভয়ের জন্যই দুটি ভার্চুয়াল ফিড বা ক্যামেরা অ্যাঙ্গেল উপলব্ধ থাকবে। এই ফিড দুটি সরাসরি মাঠের দুই গোলরক্ষকের দৃষ্টিকোণ বা পার্সপেক্টিভ হুবহু ফুটিয়ে তুলবে।
সদ্য সমাপ্ত ফুটবল মৌসুমে এমন বেশ কয়েকটি ‘লাইন-অফ-সাইট’ অফসাইডের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে গোলরক্ষকের দৃষ্টির সামনে কোনো প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় বাধা সৃষ্টি করেছিলেন কি না, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছিল। নতুন এই ভার্চুয়াল ফিড ভিএআর রেফারিদের সেই জটিল সিদ্ধান্তগুলো নির্ভুলভাবে নিতে একটি শক্তিশালী অতিরিক্ত হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে বলে জানিয়েছে ফিফা।