বিসিবির বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন রোববার

ক্রীড়া প্রতিবেদক

খেলাধুলা

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন আগীকাল রোববার (৭ জুন) । বিসিবির এই নির্বাচন অনেকটাই একপেশে হয়ে

2026-06-06T20:08:37+00:00
2026-06-06T20:08:37+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
বিসিবির বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন রোববার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৮:০৮ পিএম   (ভিজিট : ৫৮)
প্রতীকী ছবি
X

প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন আগীকাল রোববার (৭ জুন) । বিসিবির এই নির্বাচন অনেকটাই একপেশে হয়ে  গেছে। কারণ এরই মধ্যে ৮ পরিচালক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে মনোনীত দুজন সরাসরি পরিচালক নির্বাচিত হবেন। ২৫ পরিচালক পদের ১০ জনই নিশ্চিত। বাকি থাকল কেবল ১৫ পদ। সেই ১৫ পদেই আগামীকাল রোববার ৭ জুন হবে নির্বাচন।

বিসিবিতে প্রথমে কাউন্সিলরদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ২৩ পরিচালক বোর্ডে আসবেন। ২ জন সরাসরি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে মনোনিত হবেন। এই ২৫ বোর্ড পরিচালক নিজেরা ভোট দিয়ে নির্বাচন করবেন বিসিবির পরবর্তী সভাপতি। এবারের বিসিবি নির্বাচনে কাউন্সিলরের সংখ্যা ১৮৪ জন। তাদের মধ্যে ১ নম্বর ক্যাটেগরির ভোটার ৬৬ জন, ২ নম্বর ক্যাটেগরি ৭৬ ও ৩ নম্বর ক্যাটেগরির ৪২ জন।

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ দুপুরের পর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যা ৬টার দিকে প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা করা হবে। এরপরই নবনির্বাচিত পরিচালকদের প্রথম সভায় বিসিবির সভাপতি ও দুই সহসভাপতি নির্বাচিত হবেন।

এবার ১৯২ জন কাউন্সিলরের বিপরীতে জমা পড়েছে ১৮৪টি কাউন্সিলরশিপ। কয়েকটি জেলা ও প্রতিষ্ঠান কাউন্সিলরশিপ জমা দেয়নি। জেলা ক্রীড়া সংস্থাগুলোর মধ্যে কুমিল্লা, মুন্সিগঞ্জ, হবিগঞ্জ, কুড়িগ্রাম ও নীলফামারী কাউন্সিলরশিপ জমা দেয়নি। এছাড়া কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপিও কাউন্সিলরশিপ পাঠায়নি।

ক্যাটাগরি-১: নির্বাচন শুধু খুলনা ও বরিশালে : জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত ক্যাটাগরি-১ থেকে মোট ১০ জন পরিচালক নির্বাচিত হন। এর মধ্যে ৭ জন ইতোমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে সাবেক জাতীয় অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদীন এবং মঈন উদ্দিন চৌধুরী, সিলেট বিভাগ থেকে আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, ঢাকা বিভাগ থেকে সাইদ বিন জামান ও এস এম আবদুল্লাহ আল ফুয়াদ, রাজশাহী বিভাগ থেকে মীর শাকরুল আলম সীমান্ত এবং রংপুর বিভাগ থেকে মির্জা ফয়সল আমীন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন।

এই ক্যাটাগরিতে কেবল খুলনা ও বরিশাল বিভাগে ভোট হচ্ছে। ইতোমধ্যে পোস্টাল ও ই-ভোটিং চলছে। দুপুর ১টা পর্যন্ত ই-ভোট দেওয়া যাবে। খুলনা বিভাগে ১১ জন কাউন্সিলরের ভোটে নির্বাচিত হবেন দুই পরিচালক। সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মো. শফিকুল আলম, শান্তনু ইসলাম সুমিত ও মো. আব্দুছ সালাম।

অন্যদিকে বরিশাল বিভাগে ৭ জন কাউন্সিলরের ভোটে নির্বাচিত হবেন একজন পরিচালক। এ পদের জন্য লড়ছেন মো. মিজানুর রহমান ও মো. মুনতাসির আলম চৌধুরী।

ক্যাটাগরি-২: সবচেয়ে জমজমাট লড়াই ঢাকার ক্লাবগুলোর। ঢাকার ৭৬টি ক্লাবের কাউন্সিলরদের ভোটে ক্যাটাগরি-২ থেকে নির্বাচিত হন ১২ পরিচালক। এ ক্যাটাগরির ১২টি পদের বিপরীতে প্রথমে ১৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে সবার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হলেও পরে দুইজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন। ফলে ১৬ প্রার্থী ১২টি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ৭৬ জন কাউন্সিলরের ভোটে এই ক্যাটাগরির পরিচালকরা নির্বাচিত হবেন।

তবে পোস্টাল ব্যালটের কারণে অধিকাংশ ফল আগেই অনেকটা নিশ্চিত হয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, অন্তত ১০টি পদে বিজয়ী প্রায় নিশ্চিত। বাকি দুটি পদের জন্য কয়েকজন প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়, সাবেক ক্রিকেটার ও বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত ক্যাটাগরি-৩ থেকে আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সিলর ও বিসিবির সাবেক পরিচালক সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর।

বাকি দুই পরিচালক মনোনীত করবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। নির্বাচিত ও মনোনীত এই ২৫ পরিচালকই পরে প্রথম বোর্ড সভায় বিসিবির সভাপতি এবং দুই সহসভাপতি নির্বাচন করবেন।
আসন্ন বিসিবির পরিচালকদের নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্যাটাগরি-২-এর প্রার্থীদের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট’ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক অস্থিরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। রোববার অনুষ্ঠেয় বিসিবি নির্বাচনের আগে কাউন্সিলরদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ক্রিকেটের স্বার্থেই চলমান সংকটের অবসান ঘটাতে হবে।

শুক্রবার রাজধানীর র‌্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে ক্যাটাগরি-২-এর ১৬ জন প্রার্থী একসঙ্গে উপস্থিত হন। নির্বাচনের আগে কাউন্সিলর ও গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময়ের উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয় ব্যতিক্রমী এই অনুষ্ঠান। বক্তব্যের শুরুতে কাউন্সিলর ও সহ প্রার্থীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তামিম বলেন, বিসিবির নির্বাচনে সব প্রার্থীর একসঙ্গে এমন আয়োজন খুবই বিরল। এরপর তিনি নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ব্যক্তিগত পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করার আহ্বান জানান।

ছকে কাটা এই নির্বাচনে কারা আসতে যাচ্ছেন তা মিরপুর হোম অব ক্রিকেটে কান পাতলেই শোনা যায়। তবুও নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা তো আছেই। প্রার্থীরা ভোট চাইছেন কাউন্সিলরদের কাছে। শুক্রবার রাতে ক্লাব ক্যাটাগরির ১৬ প্রার্থী কাউন্সিলরদের কাছে ভোট চাওয়ার জন্য ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট’ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।  

প্রত্যেক প্রার্থী বক্তব্য দিয়ে কাউন্সিলরদের কাছে ভোট চেয়েছেন। নিজেদের ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক পরিচয়, ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক বর্তমানে অ্যাডহক কমিটির সভাপতি। নির্বাচন করেই তামিম আবার বোর্ডে আসতে যাচ্ছেন। বক্তৃতায় তামিম পরিচালকদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়ে রেখেছেন, “আমি একটা অনুরোধই করব ও আশা করব, এই ১৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ক্রিকেটার আছেন, ব্যবসায়ী আছেন, চিকিৎসক আছেন, রাজনৈতিক পরিবার থেকে আসা ব্যক্তিরা আছেন-বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভালোর জন্য একটা ব্যাপার আমাদের নিশ্চিত করতে হবে, আমরা যারাই নির্বাচিত হই না কেন, যখনই মিরপুর স্টেডিয়ামের গেইট দিয়ে ঢুকলে আপনাদের ব্যক্তিগত পরিচয় বাইরে রেখে আসবেন। যে মুহূর্তে ওই আসনে আপনারা বসবেন, আপনারা কেবল বাংলাদেশ ক্রিকেটের সেবা করবেন। আপনাদের ব্যক্তিগত পরিচয়ের এখানে গুরুত্ব নেই। একটা ব্যাপারের মূল্য আছে, সেটা হলো আপনাদের ইচ্ছা।’

ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে যারা নির্বাচন করছেন তারা অনেকেই তরুণ, অনভিজ্ঞ। তবে এই তরুণদের উপরই তামিমের আস্থা জোরাল, ‘‘অবশ্যই অভিজ্ঞতার একটা মূল্য আছে, অভিজ্ঞ সংগঠকদের মূল্য আছে। পাশাপাশি এটিও বিশ্বাস করি, তরুণ, যুব ও তরতাজা মানসিকতার লোকজনও গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সৌভাগ্য যে, এই ক্যাটাগরিতে এরকম অনেকেই আছেন। আশাকরি, তারা নির্বাচিত হলে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে ভালো করে সার্ভ করবে, এটার মধ্যে আমিও পড়ি।”

এদিকে নির্বাচনের আগে আইসিসি দুই সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করে গেছেন। আইসিসি প্রতিনিধি দলের এই সফর নিয়েও নানরকম খবর ছড়িয়েছে সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে। সেসব নিয়েও তামিম বলেছেন, ‘‘আইসিসির যে বিষয়টা, আইসিসি সবার সঙ্গেই কথা বলছেন, স্টেকহোল্ডার সবার সঙ্গেই কথা বলেছেন। আমাদের ইলেকশন কমিশনে যারা আছেন, উনাদের সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টা মিটিং করেছেন। আমার সঙ্গেও কথা বলেছেন। উনারা বলেছেন যে, উনারা গিয়ে কথা বলে পরবর্তীতে আমাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। আমরা এই সম্মান করি। এর মাঝখানে যে কিছু কিছু গুজব চলেছে, ওগুলোও কিন্তু আইসিসি পরিষ্কার করে দিয়েছে যে, এরকম ধরনের কোনো আলোচনা বা এরকম ধরনের কোনো কথা কাউকে বলা হয়নি। আমার কাছে মনে হয়, আমরা যে পজিশনে আছি, ওই পজিশনে থেকে যখন সঠিক সময়, সঠিক সময়ের মধ্যে আপনারা সবকিছু জানতে পারবেন।”

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর দেশের ক্রিকেট স্থায়ী হতে পারেনি। ফারুক আহমেদ, আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ড থিতু হতে পারেনি। দেশের ক্রিকেটের এই অস্থিরতা কাটিয়ে স্থায়ী হওয়ার আশায় তামিম, “গত দেড়-দুই বছর ধরে অনেক ধরনের অনেক কিছু হচ্ছে। আমিও অনেক কিছু হয়তো অনেক সময় বলেছি। সব কিছু নিয়ে একটা অশান্তির মধ্যে ছিলাম। আমার কাছে মনে হয়, আশাকরি যে এই নির্বাচনের মাধ্যমে, নির্বাচনের পরে যারাই নির্বাচিত হবে, একটা সেটেলড বোর্ড হবে। সেটেলড বোর্ড হয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে সামনে নিয়ে যাবে।”

তামিম বলেন, যখনই যারাই নির্বাচিত হই না কেন, মিরপুর স্টেডিয়ামের গেট দিয়ে ঢোকার সময় ব্যক্তিগত পরিচয় বাইরে রেখে আসতে হবে। ওই চেয়ারে বসার পর আমাদের একমাত্র দায়িত্ব হবে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে সেবা করা। অভিজ্ঞতা ও নতুন নেতৃত্বের সমন্বয়ের ওপর জোর দেওয়ার কথাও বক্তব্যে বলেন তামিম, অভিজ্ঞতা সংগঠকদের মূল্য আছে, কিন্তু তরুণ ও নতুন চিন্তার মানুষও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তারা সুযোগ পেলে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে ভালোভাবে সেবা করতে পারবে।

সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিকেট ছেড়ে প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা উল্লেখ করে তামিম বলেন, তিনি বিভিন্ন ক্লাব ক্রিকেট কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থেকে খেলাটির উন্নয়নে কাজ করার চেষ্টা করছেন। তামিমের বক্তব্যের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অংশ ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেটের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তার মন্তব্য। তিনি বলেন, গত দুই বছর বাংলাদেশ ক্রিকেট যে ধরনের সুনামির মধ্য দিয়ে গেছে, এটা থামতেই হবে। বাংলাদেশ ক্রিকেটের স্বার্থেই এটা থামাতে হবে।

তামিমের মতে, দেশের ১৮ কোটি মানুষের আবেগ ও গর্বের জায়গা ক্রিকেট। তাই চলমান অস্থিরতা থেকে বের হয়ে আসা জরুরি, ১৮ কোটি মানুষের জন্য ক্রিকেট অত্যন্ত আবেগের বিষয়। এই সুনামি থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। এর একটা শেষ হওয়া দরকার।

রোববারের নির্বাচনের মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা প্রকাশ করে তামিম বলেন, নির্বাচিতদের সমালোচনার মুখে পড়তে হবে, তবে সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করলে সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব। শেষে কাউন্সিলরদের কাছে ভোট প্রার্থনা করে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে সেবা করার সুযোগ চেয়ে বক্তব্য শেষ করেন সাবেক এই অধিনায়ক।






Loading...
Loading...


খেলাধুলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy