প্রকাশ: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৯:১৯ পিএম (ভিজিট : ৩৩)

X
দলের সঙ্গে অনুশীলনে তুরস্কের কোচ ভিনচেনজো মন্তেল্লা-ইন্টারনেট
২০০২ বিশ্বকাপে তৃতীয় হয়েছিল যারা, সেই তুরস্ক পরের পাঁচ আসরে খেলার যোগ্যতাই অর্জন করতে পারেনি। ২৪ বছর পর বিশ্ব মঞ্চে ফিরে দলটির সবাই স্বাভাবিকভাবেই আনন্দের জোয়ারে ভাসছেন। তবে আপতত সেই আবেগে বাঁধ দিয়ে, বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মনোযোগ দিতে বলেছেন কোচ ভিনচেনজো মন্তেল্লা।
ভ্যানকুভারে রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করবে তুরস্ক। ‘ডি’ গ্রুপে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ প্যারাগুয়ে ও আসরের সহ-আয়োজকদের একটি যুক্তরাষ্ট্র। দলের সবার মতো বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচের জন্য মুখিয়ে আছেন ৫১ বছর বয়সি মন্তেল্লাও।
তবে এই উপলক্ষের আবেগ যেন মাঠের খেলায় প্রভাব না ফেলে, সেদিকে দলের সবাইকে মনোযোগী হতে বলেছেন তিনি,‘ ২৪ বছর ধরে যেটার অপেক্ষা করছি, সেটা পূরণ হওয়ার আগের দিন এটা। আমরা স্বাভাবিকভাবে আবেগাপ্লুত। একই সঙ্গে আমরা বিশ্বাস করি, ভালো করতে পারব। বিশ্বকাপের চ্যালেঞ্জ কেমন, আমরা সেটা জানি। তবে আমরা এটাকে উপভোগ করতে চাই, নিজেদের ও দেশকে গর্বিত করতে চাই।’
প্রথম ম্যাচ যেকোনো দলের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটিও তুলে ধরেন মন্তেল্লা,‘ প্রথম ম্যাচ সবসময় গুরুত্বপূর্ণ। যদিও এটা চূড়ান্ত ফলাফল নির্ধারণ করে দেয় না, কারণ পরের ম্যাচগুলোতেও পয়েন্ট পাওয়ার সুযোগ থাকে। তবে অবশ্যই, এই ম্যাচটি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। টুর্নামেন্টে দলের সামনের পথচলায় এটা সাহায্য করবে।’
আবেগকে দূরে সরিয়ে চাপমুক্ত থেকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লড়াই করুক তুরস্ক, এটাই চাওয়া ইতালিয়ান এই কোচের,‘ ম্যাচটি নিয়ে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও প্রত্যাশা এত বেশি যে, এটা খেলোয়াড়দের জন্যও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমি চাই তারা মাঠে নেমে নিজেদের শক্তিমত্তা ও সামর্থ্য অনুযায়ী খেলুক। আবেগের ভার তাদের ওপর চেপে বসুক, এটা চাই না। আমি জানি তারা যখন স্বাধীনভাবে, আনন্দের সঙ্গে এবং খুব বেশি চিন্তা না করে একসঙ্গে খেলে, তখনই তারা নিজেদের সেরাটা দিতে পারে।’