প্রকাশ: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৯:৩৫ পিএম (ভিজিট : ৫১)

X
খোলা আকাশের নিচে ১২ জন
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে ১২ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার (পুশ ইন) চেষ্টা প্রতিহত করার পরও তাদের কাঁটাতারের ভেতরের অংশে নেয়নি বিএসএফ। ফলে দু‘দিন ধরে শুন্যরেখায় খোলা আকাশের নিচে পাট ক্ষেতেই অবস্থান করছে ৪ শিশু সহ ১২ নারী জন পুরুষ।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সুত্র বলছে বিএসএফ পতাকা বৈঠকে আসলেও কোন সমাধান আসেনি। তবে, ঐ ১২ জনের পরিচয় পূনরায় খতিয়ে দেখবে বলে জানিয়েছে।
গত শুক্রবার (১২ জুন) ভোরে উপজেলার প্রাগপুর সীমান্তের ১৪৮/৩-এস সীমানা পিলার এলাকায় কাঁটাতারের গেট খুলে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ১২ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেবার চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয়রা তাদের বাংলাদেশে ঢুকতে বাধা দেয়।
ফলে, বাধ্য হয়ে তারা শুন্যরেখার ঐ পাট ক্ষেতে অবস্থান নেন। দিনে তীব্র গরম আবার ঝড়, বৃষ্টি সাথে অনিশ্চিত রাত শিশু ও মহিলাসহ ১২ জন মানুষের কপালে কি ঘটে তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ উৎকন্ঠা দেখা গেছে।
বিজিবি সূত্রটি জানায়, পুশ ইনের চেষ্টাকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন পুরুষ, চারজন নারী এবং চারজন শিশু রয়েছে। তারা অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয়রা তা প্রতিহত করে। বর্তমানে কাঁটাতারের গেট বন্ধ করে দেওয়ায় ওই ১২ জন না পারছে ভারতেও প্রবেশ করতে পারছেনা।
তাছাড়া নির্ভরযোগ্য একাধিক সুত্রের মাধ্যমে জানা যায়, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এই ১২ জনকে পুশইনের কথা সম্পুর্ণ অস্বীকার করছে। কিন্তু পুশইনের শিকার ব্যাক্তিরা নিজেদের চাপাইনবাবগঞ্জ, সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলার বাসিন্দা এবং কেরালায় কাজ করা অবস্থায় বিএসএফ তাদের ধরে এনে সীমান্ত দিয়ে এখানে ঠেলে দেয় বলে দাবি করেছে।
৪৭ বিজিবির কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লে, কর্ণেল রাশেদ কামাল রনি জানান, শনিবার সকালে সীমান্তের ১৫০/৩-এস পিলার সংলগ্ন এলাকায় একটি পতাকা বৈঠক হয়। সেখানে বিএসএফ পুশইনের বিষয়টি অস্বীকার করেছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বেও সাথে দেখার জন্য বললে তারা সময় নিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন বলে জানিয়েছেন।