প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ৮:১০ পিএম (ভিজিট : ২১)

X
বালোগনকে লাল কার্ড দেখাচ্ছেন রেফারি।
বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে রেফারির একটি সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন মৌরিসিও পচেত্তিনো। যুক্তরাষ্ট্রের কোচের মতে, ‘অনিচ্ছাকৃত’ ফাউলের জন্য তার ফরোয়ার্ড বালোগনের লাল কার্ড একদমই প্রাপ্য ছিল না। বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় সকালে বসনিয়াকে ২-০ গোলে হারায় যুক্তরাষ্ট্র। ২০০২ সালের পর প্রথমবার বিশ্ব আসরে নকআউট পর্বে কোনো ম্যাচ জিতল তারা।
এদিন দ্বিতীয়ার্ধের বেশিরভাগ সময় একজন কম নিয়ে খেলতে হয় যুক্তরাষ্ট্রকে। তবুও, যে দৃঢ়তা দেখিয়েছিলেন দল তাতে মুগ্ধ পচেত্তিনো। বালোগনের লাল কার্ড নিয়ে কিছুটা ক্ষোভ থাকলেও শেষ ষোলোয় উঠতে পারায় ভীষণ খুশি তিনি,‘ আমাদের অনুভূতি বর্ণনা করা কঠিন, কারণ আমার মনে হয় এটা অসাধারণ। আর বিশ্বকাপে সহজ ম্যাচ বলে কিছু নেই। গত পাঁচ-ছয় সপ্তাহ আমরা যেভাবে উন্নতি করেছি, আমার মনে হয় দলের পরিপক্বতা অসাধারণ।’
বালোগনের গোলে এদিন ম্যাচের প্রথমার্ধে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে গুরুত্বপূর্ণ এই ফুটবলারকে হারানোর বড় ধাক্কাটা খায় তারা। বল দখলের লড়াইয়ে প্রতিপক্ষের তারিক মুহারেমোচের পা পেছন থেকে মাড়িয়ে দেন বালোগন। রিপ্লে দেখে যদিও মনে হয়নি ইচ্ছাকৃত, তবে বেশ বাজে ফাউলই ছিল।
পরে ভিএআর দেখে বালোগানকে সরাসরি লাল কার্ড দেন রেফারি। ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় ম্যাচে খেলতে পারবেন না বালোগন। আগামী মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় সকালে কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে যুক্তরাষ্ট্র। বালোগনের লাল কার্ডকে বসনিয়া কোচ সের্গেই বার্বারেস ন্যায্য বললেও পচেত্তিনো এটাকে দেখছেন ভিন্নভাবে,‘এটা কখনও লাল কার্ড ছিল না। টিভিতে দেখে যা মনে হয়েছে, প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের পা মাড়ানোর কোনো উদ্দেশ্য তার ছিল না। ওটা ছিল ফুটবল খেলার একটি সাধারণ ঘটনা। দুর্ভাগ্যবশত এটা ঘটেছে, ইচ্ছাকৃত ছিল না কখনও। তার আমার কাছে, এটা কোনোভাবেই লাল কার্ড না।’
লাল কার্ড পাওয়ার পর জার্সিতে মুখ ঢেকে ১৫-২০ সেকেন্ড দাঁড়িয়ে থেকে আস্তে আস্তে মাঠ ছাড়েন বালোগান। তাকে সান্ত্বনা দেন সতীর্থরা। পচেত্তিনো বলেন, ড্রেসিংরুমেও বিষণ্ণ দেখা গেছে বালোগনকে,‘ তবে আমরা পরের ধাপে উঠতে পেরেছি, এজন্যও সে খুশিৃ তাকে বুঝতে হবে যে, ফুটবলে এমন ঘটনা ঘটতেই পারে। আশা করি এবং বিশ্বাস করি, সে আমাদের আবারও সাহায্য করবে। পরের ধাপে যেতে আমি আশাবাদী।’