
X
বৃহত্তর কুষ্টিয়া সমিতির কেএমসি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের খেলোয়াড়বৃন্দ
গাজীপুরে বৃহত্তর কুষ্টিয়া সমিতির উদ্যোগে কেএমসি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ও গেট টুগেদার ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৪ জুলাই রাতে গাজীপুরের চাপুলিয়ায় অবস্থিত স্পোর্টস মেনিয়া ফুটবল মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সমিতির সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।
প্রবল বৃষ্টি উপেক্ষা করে সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত টুর্নামেন্ট ও মিলনমেলা সফলভাবে সম্পন্ন হয়। আয়োজকদের মতে, প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও সদস্যদের ব্যাপক অংশগ্রহণ সমিতির প্রতি তাদের আন্তরিকতা ও পারস্পরিক বন্ধনের প্রতিফলন।
টুর্নামেন্টে কেএমসি টাইটানস, কেএমসি ইয়াং স্টারস, কেএমসি ব্লু লাইনস এবং কেএমসি সুপার কিংসস নামে চারটি দল অংশগ্রহণ করে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলায় কেএমসি ব্লু লাইনস চ্যাম্পিয়ন এবং কেএমসি টাইটানস রানার আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের স্বীকৃতিস্বরূপ কেএমসি ব্লু লাইনসের অধিনায়ক শেখ রাজীব আহমেদ ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন। টুর্নামেন্টের ধারাবাহিক সেরা পারফরম্যান্সের জন্য মোঃ হাসনাতুল হক ম্যান অব দ্য সিরিজের সম্মাননা লাভ করেন।
খেলায় রেফারির দায়িত্ব পালন করেন সমিতির সিনিয়র সহ সভাপতি মোহাম্মদ ফখরুল আলম। ধারাভাষ্য প্রদান করেন মাহাবুল আলম।
শিশুদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচেরও আয়োজন করা হয়েছিল। তবে প্রবল বৃষ্টির কারণে শিশুদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ম্যাচটি স্থগিত করা হয়। তবুও উপস্থিত শিশুদের উৎসাহিত করতে তাদের হাতে বিভিন্ন পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার আপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন বৃহত্তর কুষ্টিয়া সমিতি গাজীপুরের সভাপতি মোঃ নুরুজ্জামান, সহ সভাপতি মোঃ সাজ্জাদ হোসাইন আনোয়ার, সাধারণ সম্পাদক খোন্দকার শাহিদুল হকসহ সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানের আরেকটি আকর্ষণ ছিল সদস্যদের জন্য নৈশ ভোজের আয়োজন। পাশাপাশি শিশুদের জন্য চকলেট ও বিস্কুট বিতরণ করা হয়। নৈশ ভোজের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আহ্বায়ক মোঃ সাইফুজ্জামান, মোঃ আবুল হাসান, মোহাম্মদ শিহাব উদ্দিন, মোহাম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকী, মোঃ আব্দুর রউফসহ স্বেচ্ছাসেবীরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
আয়োজকরা জানান, সদস্যদের মধ্যে সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় করাই ছিল এই আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণে ক্রীড়া, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিভিন্ন কর্মসূচি এবং মিলনমেলার আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।