প্রকাশ: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ৮:০২ এএম (ভিজিট : ৪৭)

X
সংগৃহীত ছবি
সপ্তাহব্যাপী লাখো মানুষের অংশগ্রহণে ইরানের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনীতিক ও ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির ঐতিহাসিক শোকযাত্রা ও শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে।
এই কিংবদন্তিকে তারই জন্মশহর এবং দেশটির পবিত্রতম ধর্মীয় স্থান মাশহাদে বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) দুপুরে অষ্টম শিয়া ইমাম ইমাম রেজা (আ.)-এর পবিত্র মাজারে দাফন করা হয়েছে।
শেষ বিদায় জানাতে ইরানের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শোকাহত মানুষ মাশহাদে সমবেত হন। বিপুল জনসমাগম এবং ইরাকে বিদায় অনুষ্ঠানের সময় বারবার যাত্রা থেমে যাওয়ায় নির্ধারিত সময় পরিবর্তন করে স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় ইমাম রেজা স্ট্রিট থেকে জানাজার শোভাযাত্রা শুরু হয়।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে হাজারো মানুষ মাশহাদের রাস্তায় নেমে ইরানের পতাকা, খামেনির ছবি এবং বিপ্লবী স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে শেষ শ্রদ্ধা জানান। এছাড়াও মাশহাদের অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের অতিথিরাও অংশ নেন। তাদের মধ্যে ছিলেন নাইজেরিয়ার শিয়া সম্প্রদায়ের নেতা শেখ ইব্রাহিম জাকজাকি।
এর আগে ইরাকে নজিরবিহীন শোকযাত্রার আয়োজন করা হয়। দেশটির নাজাফে রয়েছে প্রথম শিয়া ইমাম হযরত আলী (আ.)-এর পবিত্র মাজার। আর কারবালায় রয়েছে তৃতীয় শিয়া ইমাম হযরত ইমাম হুসাইন (আ.) ও তার ভাই হযরত আব্বাস (আ.)-এর পবিত্র মাজার।
ইরাকি কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, নাজাফে হজরত আলী (আ.)-এর পবিত্র মাজার ঘিরে প্রায় ৩৮ লাখ মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানান। পরে আরবাঈন রুট হয়ে মরদেহ কারবালায় নেওয়া হয়। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় ৩ জুলাই। ওই অনুষ্ঠানে বিশ্বের ৪৫টির বেশি দেশের রাজনৈতিক প্রতিনিধি এবং ৯০টিরও বেশি দেশের আলেম ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব শ্রদ্ধা জানান।
সপ্তাহব্যাপী লাখো মানুষের অংশগ্রহণে ইরানের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনীতিক ও ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির ঐতিহাসিক শোকযাত্রা ও শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে। এই কিংবদন্তিকে তারই জন্মশহর এবং দেশটির পবিত্রতম ধর্মীয় স্থান মাশহাদে আজ বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) দুপুরে অষ্টম শিয়া ইমাম ইমাম রেজা (আ.)-এর পবিত্র মাজারে দাফন করা হয়েছে।