দুই দফা ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মিয়ানমার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

মিয়ানমারে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর দুইটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) জানিয়েছে,

2026-07-11T08:47:59+00:00
2026-07-11T08:59:34+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
দুই দফা ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মিয়ানমার
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৮:৪৭ এএম  আপডেট: ১১.০৭.২০২৬ ৮:৫৯ এএম  (ভিজিট : ৮৬)
সংগৃহীত ছবি
X

সংগৃহীত ছবি

মিয়ানমারে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর দুইটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) জানিয়েছে, সর্বশেষ শনিবার (১১ জুলাই) ভোররাতে দেশটিতে ৪.১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

এর আগে ঠিক আগের দিন শুক্রবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যায়ও সেখানে ৪.৫ মাত্রার আরেকটি কম্পন রেকর্ড করা হয়েছিল।

এনসিএস-এর তথ্য অনুযায়ী, শনিবারের ভূমিকম্পটি ভারতীয় প্রমাণ সময় (আইএসটি) রাত ১২টা ২০ মিনিটে আঘাত হানে। এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে সংস্থাটি জানায়, এই কম্পনটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ৯০ কিলোমিটার গভীরে, যার স্থানাঙ্ক ২১.৬৯৮ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯৪.৫০৪ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ। এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ৫৯ মিনিটে (আইএসটি) প্রথম দফায় কেঁপে ওঠে মিয়ানমার।

৪.৫ মাত্রার ওই ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ভূগর্ভের ১০০ কিলোমিটার গভীরে।

ভূমিকম্পবিদরা জানিয়েছেন, মিয়ানমার ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে অবস্থিত। দেশটি মূলত চারটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের (ভারতীয়, ইউরেশীয়, সুন্দা এবং বার্মা প্লেট) সংযোগস্থলে থাকায় এখানে প্রতিনিয়ত ভূগর্ভস্থ সক্রিয় প্রক্রিয়া সচল থাকে। ফলে দীর্ঘ উপকূলরেখা বরাবর মাঝারি ও বড় মাত্রার ভূমিকম্প এবং সুনামির স্থায়ী ঝুঁকি রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মূল উদ্বেগের কারণ দেশটির মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া ১,৫০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘সাগাইং ফল্ট’ বা ফাটল রেখা। এই ফাটলটি আন্দামান স্প্রেডিং সেন্টারকে উত্তরের সাগাইং ফল্ট নামক একটি সংঘর্ষ অঞ্চলের সাথে যুক্ত করেছে। 

এই ঝুঁকিপূর্ণ ফাটল এলাকার আশেপাশেই গড়ে উঠেছে সাগাইং, মান্দালে, বাগো ও ইয়াঙ্গুনের মতো প্রধান শহরগুলো, যেখানে মিয়ানমারের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪৬ শতাংশ মানুষ বসবাস করে।

গবেষকদের মতে, ইয়াঙ্গুন শহরটি মূল ফাটল রেখা থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত হলেও এর অতিরিক্ত ঘনবসতির কারণে এখানে ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। অতীতের রেকর্ড টেনে প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯০৩ সালে বাগো অঞ্চলে হওয়া ৭.০ মাত্রার একটি প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পের আঘাতে ইয়াঙ্গুন শহরও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, সাম্প্রতিক এই দুটি ভূমিকম্পে কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।





Loading...
Loading...


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy