প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ৪:১০ পিএম (ভিজিট : ৫৮)

X
ফার্মের মুরগি
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে উৎপাদিত ফার্মের মুরগি প্রোটিনের ভালো উৎস হলেও অনিয়ন্ত্রিত উৎপাদন পদ্ধতি স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, অনেক ক্ষেত্রে দ্রুত বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়, যা ভবিষ্যতে মানুষের শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে। এছাড়া কিছু ক্ষেত্রে হরমোন বা বিভিন্ন রাসায়নিক ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ও বিভিন্ন জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। নিম্নমানের খাদ্য ব্যবহারের কারণে মাংসের পুষ্টিগুণও কমে যেতে পারে।
ফার্মের মুরগি তুলনামূলকভাবে সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী হওয়ায় মানুষের প্রোটিনের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিরাপদ ও মানসম্মতভাবে উৎপাদিত মুরগির মাংসে উচ্চমানের প্রোটিন, ভিটামিন বি-১২ এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান থাকে। যদিও দেশি মুরগির তুলনায় ফার্মের মুরগিতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড তুলনামূলক কম এবং চর্বির পরিমাণ কিছুটা বেশি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, বিশ্বস্ত উৎস থেকে ফার্মের মুরগি কিনতে হবে এবং ভালোভাবে রান্না করে খেতে হবে, যাতে ব্যাকটেরিয়াজনিত ঝুঁকি কমে। একই সঙ্গে খাদ্যতালিকায় মাছ, ডিম, ডালসহ অন্যান্য প্রোটিনের উৎসও রাখা উচিত।
তাদের মতে, নিরাপদ উৎপাদন প্রক্রিয়ায় প্রস্তুত ও পরিমিত পরিমাণে খাওয়া হলে ফার্মের মুরগি সাধারণত নিরাপদ, তবে খাদ্যের মান ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ফার্মের মুরগি খাওয়া ক্ষতিকর কি না, তা নির্ভর করে মুরগি কীভাবে পালন করা হয়েছে এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ায় কী ধরনের খাদ্য, ওষুধ বা অন্যান্য উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে তার ওপর।