পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের আতাইকুলা সড়াডাঙি নামক স্থানে অ্যাম্বুলেন্স ও যাত্রীবাহি ঢাকা কোচের মুখোমুখি সংঘর্ষে নানী বুলু খাতুন (৫৭) ও অ্যাম্বুলেন্স গাড়ীর ড্রাইভার রাজ মিয়া (২৬) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অপর ৪ জন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় নানা সলিম প্রামানিকও মারা গেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টার দিকে এই দূর্ঘটনাটি ঘটে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩ জনে।
নিহতরা হলেন, পাবনা সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের ছলিম প্রামানিক, তার স্ত্রী ও নিহত কেয়া খাতুনের নানী বুলু খাতুন এবং অ্যাম্বুলেন্স গাড়ির ড্রাইভার পাবনা পৌর এলাকার রাজ হোসেন।
পাবনা মাধপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কেয়া নামের বাচ্চা মেয়ে মারা যান। তার অত্মীয় স্বজনেরা একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মৃতদেহটি রাজশাহী থেকে পাবনায় নিজ বাড়িতে নিয়ে আসছিল।
অ্যাম্বুলেন্স গাড়িটি পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের আতাইকুলা থানার সড়াডাঙি নামকস্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে ঢাকা থেকে পাবনাগামী পাবনা এক্সপ্রেস নামক একটি যাত্রীবাহি বাসের চাকা ফেটে সরাসরি অ্যাম্বুলেন্সে আঘাত করে। সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার রাজ ও নিহত কেয়ার নানী বুলু খাতুন ঘটনাস্থলেই মারা যান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নানা ছলিম প্রামানিক।
পুলিশ ঘাতক বাসটিকে জব্দ করেছেন এবং নিহতদের লাশ পাবনা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।