‘সমালোচিত’ পানি পানের বিরতির ভবিষ্যৎ ‘অনিশ্চিত’

ক্রীড়া ডেস্ক

খেলাধুলা

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে ফিফার নতুন নিয়ম ‘হাইড্রেশন ব্রেকের’ (পানি পানের বিরতি) ভবিষ্যৎ এখনও নিশ্চিত নয়। সংস্থাটির গ্লোবাল ফুটবল

2026-07-19T19:44:23+00:00
2026-07-19T19:44:23+00:00
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬ ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬
   
‘সমালোচিত’ পানি পানের বিরতির ভবিষ্যৎ ‘অনিশ্চিত’
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৪ পিএম   (ভিজিট : ১৪)
‘সমালোচিত’ পানি পানের বিরতির ভবিষ্যৎ ‘অনিশ্চিত’
X

‘সমালোচিত’ পানি পানের বিরতির ভবিষ্যৎ ‘অনিশ্চিত’

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে ফিফার নতুন নিয়ম ‘হাইড্রেশন ব্রেকের’ (পানি পানের বিরতি) ভবিষ্যৎ এখনও নিশ্চিত নয়। সংস্থাটির গ্লোবাল ফুটবল ডেভেলপমেন্টের প্রধান আর্সেন ওয়েঙ্গার বলেছেন, বিশ্ব আসরের পর এই বিরতির নানা দিক গভীরভাবে পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন তারা। তবে এর প্রভাব খেলায় কিংবা ম্যাচের ফলাফলে পড়েছে বলে মনে করেন না সাবেক আর্সেনাল কোচ।

যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার উষ্ণ আবহাওয়ার কথা চিন্তা করে, চলতি বিশ্বকাপে ম্যাচের দুই অর্ধেই পানি পানের বিরতির নিয়ম করেছে ফিফা। প্রতি অর্ধের মাঝে তিন মিনিটের এই সময়ে খেলোয়াড়দের সঙ্গে কৌশল নিয়ে আলোচনা করার সুযোগও পান কোচিং স্টাফের সদস্যরা। এই নিয়ম অবশ্য সর্বজনীনভাবে সমাদৃত হয়নি।

সমালোচকদের মতে, এই বিরতির কারণে ৯০ মিনিটের ম্যাচটি মূলত চার ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। যা টেলিভিশন চ্যানেলগুলোকে দুই মিনিটেরও বেশি সময় ধরে বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন দেখানোর সুযোগ করে দিচ্ছে। টুর্নামেন্টের শুরুর দিকে হাইড্রেশন ব্রেকের সময় দর্শকদের দুয়ো দিতেও শোনা যায়।

তবে সব সমালোচনা সহ্য করে নিয়ম অপরিবর্তিত রেখে বিশ্বকাপ শেষ করতে যাচ্ছে ফিফা। স্পেন ও আর্জেন্টিনার ফাইনাল দিয়ে এবারের আসরের পর্দা নামবে ২০ জুলাই। নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ সময় ১টায় (এএম) শুরু হবে মাঠের লড়াই। হাইড্রেশন ব্রেক ম্যাচে কোনো প্রভাব ফেলছেন কিনা জানতে চাওয়া হলে সংবাদ সম্মেলনে ভেঙ্গার বলেন, “না।” কখনো কখনো মানুষ এটা পছন্দ করেনি এবং বিশ্বকাপের পর আমাদের বিশ্লেষণ করতে হবে এর প্রকৃত প্রভাব কী ছিল। আমার কাছে মনে হয়নি, হাইড্রেশন ব্রেক প্রতিযোগিতার ফলাফল বদলে দিয়েছে। তবে ফুটবল দেখেন এমন মানুষের জন্যই আমরা কাজ করি।’

বিশ্বকাপের মাঝেই স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে ও নেদারল্যান্ডসের অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইক প্রচণ্ড গরমে খেলোয়াড়দের সুরক্ষার জন্য এই নিয়মের উদ্দেশ্যকে সমর্থন করেছিলেন। তবে শীতল আবহাওয়া বা ছাদযুক্ত স্টেডিয়ামে এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্নও তুলেছিলেন তারা।

ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেল বলেছিলেন, তার ভাবনার চেয়ে অনেক বেশি প্রভাব ফেলেছে এই বিরতি। উরুগুয়ের কোচ মার্সেলো বিয়েলসা তো কড়া সমালোচনা করে বলেছিলেন, এই বিরতিগুলো ফুটবলে নতুন কিছু যোগ করছে না, বরং খেলাটির সাংস্কৃতিক মূল সত্ত্বাকে ধ্বংস করছে। হাইড্রেশন ব্রেক নিয়ে বিরক্তি ঝরেছিল প্যারাগুয়ে কোচ গুস্তাভো আলফারোসহ আরও অনেকের কণ্ঠেই।

তিনটি আলাদা দেশে বিশ্বকাপ হওয়ায় খেলার পরিবেশ ও আবহাওয়ায় বেশ বড় পার্থক্য ছিল। কিছু ম্যাচ প্রচণ্ড গরমে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আবার কিছু ম্যাচ, বিশেষ করে, কানাডা ও বস্টনের ম্যাচগুলো অনেক শীতল আবহাওয়ায় খেলা হয়েছিল।

ওয়েঙ্গারের মতে, আবহাওয়ার কথা বিবেচনায় নিলে এই পানি পানের বিরতি এবারের বিশ্বকাপে প্রয়োজন ছিল। কিছু ম্যাচে এটা সত্যিই প্রয়োজন ছিল। আর যেহেতু আমরা ম্যাচগুলোর মধ্যে কোনো বৈষম্য করতে চাইনি, তাই আমরা (প্রতিটি ম্যাচের জন্য) এটা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পর এর একটি গভীর বিশ্লেষণ করব। যেসব ম্যাচে স্টেডিয়ামগুলো ঢাকা বা ছাদযুক্ত ছিল, সেখানে মানুষ এটা নিয়ে খুশি ছিল না। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে অনেক ম্যাচে এটি প্রয়োজনীয় ছিল। এখনও আমরা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাইনি।’

 ফিফার ফুটবল ডেভেলপমেন্টের প্রধান আর্সেন ওয়েঙ্গার বলেছেন, বিশ্বকাপের পর ‘হাইড্রেশন ব্রেক’ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন তারা।







Loading...
Loading...


খেলাধুলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy