প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৩:৪৭ পিএম (ভিজিট : ৩৪)

X
মো. সাহাবুদ্দিন
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, শারীরিক অসুস্থতাকে কারণ দেখিয়ে তিনি পদত্যাগ করতে পারেন।
এদিকে, সরকার ও বিএনপির একাধিক সূত্রের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে বিএনপির উচ্চপর্যায় থেকে বার্তা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়েও দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।
রাষ্ট্রপতির কাছে এ বার্তা পৌঁছে দেওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, খুব শিগগিরই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি সূত্রটি।
এদিকে, রাষ্ট্রপতি পদে কে আসতে পারেন, তা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালন করা একজন সচিবের নাম সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। যদিও এর আগে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খানসহ আরও কয়েকজনের নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচিত হয়েছিল।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে জাতীয় সংসদের স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। নতুন রাষ্ট্রপতির মেয়াদকালেই পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকায় বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
তবে রাষ্ট্রপতি পদে নিজের নাম আলোচনায় থাকার বিষয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে একেবারেই অবগত নই। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে অনেকের নামই আলোচনায় আসতে পারে, সেটিই স্বাভাবিক।
এদিকে বুধবার (২২ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আল-জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের এক পোস্টে দাবি করেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে পারেন। তিনি আরও দাবি করেন, সম্ভাব্য নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপির কোনো শীর্ষ নেতার পরিবর্তে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণির নাম আলোচনায় রয়েছে।
তবে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত বঙ্গভবন বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কিংবা বক্তব্য পাওয়া যায়নি।