প্রকাশ: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ৯:২৫ পিএম (ভিজিট : ৩৪)

X
সদ্য সমাপ্ত ফুটবল বিশ্বকাপে সেরা পারফর্মার হিসেবে নিজেকে চিনিয়েছেন রদ্রি।
স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের উদ্যাপন শেষ হতে না হতেই ইউরোপের দলবদল বাজারে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদের রাডারে আছেন ২০২৬ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বল জয়ী রদ্রি বেশ কিছুদিন ধরে গুঞ্জনটা এমনই। ম্যানচেস্টার সিটির মাঝমাঠের এই ‘মায়েস্ত্রো’কে কি আসলেই ভেড়াতে আগ্রহী ইউরোপের সবচেয়ে সফল ক্লাবটি? রদ্রি নিজেই কি ইতিহাদ ছেড়ে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে পাড়ি জমাতে চান?
বিভিন্ন উড়ো সূত্রের দাবি, ম্যানচেস্টার সিটির পাঠ চুকিয়ে রিয়ালে পাড়ি জমাতে রদ্রি যে চড়া আর্থিক শর্ত দিয়েছেন, তাতে নাকি সায় দিয়ে বসে আছে ক্লাবটি। গুঞ্জন এত দূর গড়িয়েছে যে, ‘লস ব্লাঙ্কোসদের’ সঙ্গে নাকি স্প্যানিশ এই মিডফিল্ডারের চুক্তিও একপ্রকার পাকা!
অবশ্য রিয়ালে অভ্যন্তরীণ সূত্রের খবরে নাকি এর কোনো সত্যতা নেই। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্য ‘এএস’ এর প্রতিবেদন জানিয়েছে, ক্লাবটির মতে—অতীতেও যেমনটা বেশ কয়েকবার ঘটেছে—বিশ্বকাপ গোল্ডেন বল বিজয়ী এই তারকার ভবিষ্যৎ নিয়ে এবারও এমন এক গল্প ফাঁদা হচ্ছে, যার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। রিয়াল মাদ্রিদ এই আলোচনায় নিজেদের জড়াতেই চায় না। যদিও ৩০ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার অসাধারণ পারফর্ম করে স্পেনকে ট্রফি জেতানোর পর থেকে গুঞ্জনটা নতুন করে হাওয়া পেয়েছে, তবুও রিয়ালের নীতি নির্ধারকদের মতে—এই জল্পনা-কল্পনার পেছনে বিন্দুমাত্র ভিত্তি নেই।ঝড়পপবৎ
‘এএস’ আরও জানিয়েছে, নতুন কোচ হোসে মরিনহোর কোচিংয়ে রিয়াল মাদ্রিদ এখন একটি ভিন্ন ফুটবল দর্শনের দিকে এগোচ্ছে-যেখানে বল দখলে রেখে খেলার প্রবণতা কম এবং রদ্রির মতো ঠাণ্ডা মাথার নিয়ন্ত্রণকারী মিডফিল্ডারের ওপর দল অতটা নির্ভরশীল নয়। তবে যা-ই হোক না কেন, স্প্যানিশ এই মিডফিল্ডারের প্রতি ক্লাব কর্তৃপক্ষের অগাধ শ্রদ্ধা ও সম্মান এখনও আগের মতোই অটুট রয়েছে।
অবশ্য সান্তিয়াগো বার্নাব্যু কর্তৃপক্ষের শীর্ষপর্যায়ের কিছু ব্যক্তিত্ব বিশ্বাস করেন, রদ্রিকে দলে ভেড়ালে তা শুধু রিয়ালের খেলার কৌশলগত পরিচয়কেই শক্ত ভিত দেবে না, বরং বিপণন ও ব্র্যান্ড ভ্যালুর দিক থেকেও এক বিরাট চমক আনবে—বিশেষ করে বিশ্বকাপে যেভাবে তিনি আলো ছড়িয়েছেন।
সদ্য সমাপ্ত ফুটবল বিশ্বকাপে সেরা পারফর্মার হিসেবে নিজেকে চিনিয়েছেন রদ্রি। কোনো গোল না করেও বা সতীর্থদের দিয়ে একটি গোলও না করিয়ে—অর্থাৎ কোনো অ্যাসিস্ট ছাড়া—পুরো ১০৪ ম্যাচের এই মহাযজ্ঞে আসরের সেরা খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি আদায় করে নিয়েছেন ব্যালন ডি’অর জয়ী মাঝমাঠের তারকা। ব্যক্তিগত পরিসংখান ও গোল-অ্যাসিস্টের পরিসংখ্যানের পেছনে বুঁদ হয়ে থাকা আজকের ফুটবল কোনো গোল-অ্যাসিস্ট ছাড়া এমন স্বীকৃতিই প্রমাণ করে, সিটি মিডফিল্ডারের প্রভাব ঠিক কতটা গভীর ছিল।ঝড়পপবৎ